নয়াদিল্লি: ফের ব্রাত্য বাংলা। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক মানোনন্নয়নে নয়া প্রকল্প ‘স্টারস’-এর আওতাভুক্ত করা হয়নি পশ্চিমবঙ্গকে। আপাতত ৬টি রাজ্যে এই প্রকল্প চালুর পথে নরেন্দ্র মোদীর সরকার। কেন্দ্রের ‘স্ট্রেন্থনিং টিচিং-লার্নিং অ্যান্ড রেজাল্টস ফর স্টেটস’ বা ‘স্টারস’ প্রকল্প চালু হচ্ছে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কেরল ও ওডিশায়।

বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এই প্রকল্প রূপায়নের পথে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় ৫,৮০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প আপাতত দেশের ৬টি রাজ্যে চালু করতে তৎপরতা নিচ্ছে মোদী সরকার। ‘স্টারস’ প্রকল্পের আওতায় দেশের এই ৬ রাজ্যের শিক্ষার মানোন্নয়নে সাহায্য করা হবে।

কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, এখন এই ৬ রাজ্যে ‘স্টারস’ প্রকল্প চালু হলেও পরবর্তী সময়ে উত্তরাখণ্ড, ঝাড়খণ্ড, অসম, গুজরাত ও তামিলনাডুতেও একই প্রকল্প চালু হবে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের টাকায় ওই ৫ রাজ্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে সাহায্য করবে কেন্দ্রীয় সরকার।

জানা গিয়েছে, শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে তৈরি কেন্দ্রের এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সবরকম তৎপরতা নেওয়া হবে। কীভাবে পড়ুয়াদের গুণগত মান আরও বাড়ানো যায়, সেব্যাপারে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেবেন বিশেষজ্ঞরা। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে গেলে কী কী সুবিধা দরকার সেবিষয়েও আলোচনা করা হবে। সব দিক দেখার পরেই পড়ুয়াদের স্বার্থে শিক্ষার মানোন্নয়নে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।

শৈশব থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ধাপে পড়ুয়ার প্রথাগত শিক্ষার মানোন্নয়ন করা হবে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে। শুধু পড়ুয়াদেরই নয় কেন্দ্রের এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সার্বিক দক্ষতা বাড়িয়ে তুলতে যথোফয়ুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।

এরই পাশাপাশি স্কুল-ছুট পড়ুয়াদের আকর্ষণ বাড়াতে যাবতীয় তৎপরতা নেওয়া হবে বিশেষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে। কেন্দ্রের দাবি, তাঁদের এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি একজন পড়ুয়ার কর্মজীবনে প্রবেশও সুবিধাজনক হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.