বীরভূম: পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয় কাশ্মীরে পরিণত হয়েছে৷, এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের৷ পাল্টা জবাব শাসক দলের৷

দিলীপ ঘোষের কথায় পশ্চিমবঙ্গে এসে সব জঙ্গি আশ্রয় নিচ্ছে৷ মুর্শিদাবাদে কয়েকবার জঙ্গি ধরা পড়েছে৷ কাশ্মীরেও এত জঙ্গি ধরা পড়ে না৷ রাজ্যের একাধিক জায়গায় বিস্ফোরণ হচ্ছে। বোমা তৈরি হচ্ছে৷ বীরভূমে তো অশান্তি লেগেই আছে।বুধবার সিউড়িতে ‘চায়ে পে চর্চা’য় এভাবেই রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন তিনি৷

বিজেপি নেতার মন্তব্যে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ তো কঙ্গনা রানাউতের মতো কথা বলছেন! কঙ্গনা বলেছিলেন মুম্বই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মতো হয়ে গেছে। আর উনি বলছেন পশ্চিমবঙ্গ কাশ্মীরের মতো৷ তাই দিলীপ ঘোষকে প্রয়োজনে কাশ্মীরে গিয়ে থাকার কথা বলেছেন সৌগত রায়৷

এর আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বারাসাতের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেছিলেন, বাংলাকে গুজরাত বানাবই কারোর সাধ্য নেই ঠেকাবে।

তারপরই বিজেপি নেতাকে নজিরবিহীন আক্রমণ করেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক৷ হাবড়ার একটি অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে “দিলীপ ঘোষের মুখ বন্ধ রাখার জন্য তাঁর এইমসে চিকিৎসা করার প্রয়োজন আছে” বলেও মন্তব্য করেন খাদ্যমন্ত্রী৷

এছাড়া খাদ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং সুচিকিৎসার পরামর্শ দেন । পাশাপাশি যদি দিলীপ ঘোষের মুখ আটকানোর চিকিৎসা করা যায় তাহলে সেই ব্যবস্থা করবার কথা বিজেপি দলীয় নেতৃত্বের কাছে আবেদন করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

এদিকে রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর নামে যে ‘আমরা দাদার অনুগামী পোস্টার পড়ছে’ এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এইসব করাচ্ছেন। নিজেরাই পোস্টার তৈরি করে দাদার অনুগামী বলে পোস্টার লাগাচ্ছে।

অন্যদিকে বুধবার সিউড়ি জেলা স্কুল মাঠে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভা ছিল। জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ওই সভায় আসছিলেন বিজেপি কর্মীরা।

গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, নানুরের শিমুলিয়া গ্রামে তাদের সভায় যেতে বাধা দেয় তৃণমূল। দলের কর্মী-সমর্থদের গাড়ি ঘিরে বোমাবাজি ও গুলি চালানো হয় বলেও অভিযোগ। ওই সময়ই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুই বিজেপি কর্মী। পাঁজরে গুলি নিয়ে তাঁদের ভরতি করা হয়েছে স্থানীয় সিয়ান হাসপাতালে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।