ফাইল ছবি

কলকাতা: করোনা শুরুতে সংক্রমণের প্রকোপ বাড়তে থাকায় রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়েছিল করোনা বেড৷ এবার করোনা প্রকোপ কমতে থাকায় ফের তা ধাপে ধাপে কমানো হচ্ছে৷

সূত্রের খবর, করোনার চিকিৎসায় অধিগ্রহণ করা বেড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার৷ আপাতত বেসরকারি হাসপাতালের বেড ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য৷ এই মূহুর্তে রাজ্যের ৫৫টি বেসরকারি হাসপাতালের ৩,৬১৩টি বেড ছাড়ল সরকার। ধাপে ধাপে ছাড়া হবে আরও বেড।

স্বাস্থ্য ভবনের তথ্য অনুযায়ী, এত দিন নির্ধারিত COVID-19 শয্যা সংখ্যা মোট ১২,৪৪০ টি৷ এর মধ্যে COVID হাসপাতালে মোট আইসিইউ / এইচডিইউ বেড ২,৩১৯ টি৷ আর COVID হাসপাতালে মোট ভেন্টিলেটর সংখ্যা১,২৭৯ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ১০২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,বাংলায় একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫১৭ জন৷ রাজ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার ২২৪ জন৷ আর সুস্থতার হার বেড়ে ৯৭.০৬ শতাংশ৷

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৬ জন৷ মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৯৮ জন৷ একদিনে মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৯ জনের৷ বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ৮৯ জন৷ এদের মধ্যে শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৩,০৫২ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার সংখ্যাটা ২,৪৪৯ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৪ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ৩ জন৷ এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও আলিপুরদুয়ারে এক জন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে৷

একদিনে টেস্ট হয়েছে ২৮ হাজার ২৯৩ টি৷ বাংলায় মোট করোনা টেস্ট হয়েছে সাড়ে ৭৭ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৭৭ লক্ষ ৫১ হাজার ৬৬৯ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৮৬,১৩০ জন৷

তবুও চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার৷ ২০ জানুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ৷ বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১ হাজার ৩৯৪ জন৷ হোম আইসোলেশনে ৫ হাজার ২৫৪ জন৷ আর সেফ হোমে রয়েছেন মাত্র ২৭ জন৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা সাড়ে ৬ হাজারের সামান্য বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী,৬ হাজার ৫৬৫ জন৷ বুধবার ছিল ৬ হাজার ৬৭৫ জন৷ তুলনামূলক ১১০ জন কম৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।