স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নোটবাতিলের ফলে যারা কর্মহীন হয়েছেন তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। প্রায় ২৫ হাজার কর্মহীন স্বর্ণকারদের জন্য কর্মসংস্থানের জন্য বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে একটি জুয়েলারি পার্ক তৈরি করা হচ্ছে।পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন এই জুয়েলারি পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছে। বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ৮ একর জমিতে এই পার্ক তৈরি হবে।

কর্মকর্তাদের দ্রুত এই প্রকল্পের ওপর একটি প্রতিবেদন জমা করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখান থেকে কলকাতা, হাওড়া, খড়গপুর ও দুর্গাপুরের রাস্তার যোগাযোগ আছে। প্রস্তাবিত এই স্থানটি থেকে মাত্র ২২ কিমি দূরেই রয়েছে বিমানবন্দর।রূপায়ণকারী সংস্থা এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার পর তা মন্ত্রিসভায় পেশ করা হবে। একবার অনুমোদন পেয়ে গেলে, দু-বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের এই উদোগকে স্বাগত জানিয়েছে স্বর্ণশিল্পী বাঁচাও কমিটি৷ কমিটির কার্যকরী সভাপতি বাবলু দে বলেন, রাজ্য সরকারের এটা খুব ভালো সিদ্ধান্ত৷ তবে বৌবাজারে সোনার খাস মার্কেটে সরকারের নিজস্ব দু একর জমি পরে রয়েছে৷ সেই জায়গায় যদি এই জুয়েলারি পার্ক গড়ে তোলা হত তাহলে আরও ভাল হত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।