কলকাতা: করোনার কোপে বাংলা। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলায়। রাজ্য জুড়ে করোনার সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্য়ু। গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে। এই পরিস্থিতিতে নয়া নির্দেশিকা রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের। করোনার উপসর্গ তীব্র হলে তবেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ। মৃদু উপসর্গযুক্ত বা উপসর্গহীনদের বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকতে পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর। এই মর্মে নয়া একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহআকার নিয়েছে। গত বছরের চেয়েও করোনা আর ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। নির্বাচনের বাংলায় করোনার সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে। রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে করোনা রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাজেহাল দশা চিকিৎসক, নার্স-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের। রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে বেডের আকাল। আইসিইউ, অক্সিজেনের জোগান সীমিত। প্রতিদিন নতুন করে হাজার-হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ঘোর উদ্বেগে চিকিৎসক মহল। এমনটা আর কয়েকদিন চলতে থাকলে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো পুরোপুরি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন কেউ-কেউ।

করোনা পজিটিভ হলেই বহু রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকতে চান। সেই কারমেই গত কয়েকদিনে রাজ্যের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলিত করোনা রোগীদের প্রবল চাপ। হাসপাতালগুলিতে বেডের আকাল। ঘোর বিপাকে হাসতালা কর্তৃপক্ষ। আক্রান্তদের অনেকেরই উপসর্গ কম থাকলেও তাঁরাও হাসপাতালে ভর্তি হতে চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসকরাও। পরিস্থিতি বিচার করেই এবার নয়া নির্দেশিকা রাজ্য সরকারের। উপসর্গ তীব্র থাকলে তবেই করোনা রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। কম উপসর্গ থাকলে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকলেই চলবে। নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বেসামাল বাংলা। হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। চিন্তায় ঘুম উড়ছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। একদিনে ফের ৮ হাজার ৪১৯ জন এরাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্যের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯২৭ জন। রাজ্যে সবথেকে বেশি সংক্রমিত হচ্ছেন কলকাতার বাসিন্দারা। কলকাতায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১৯৭ জন। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৮০৭ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। একদিনে নতুন করে এই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০১ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.