স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: বিদ্যালয়ের নাম বদল নিয়ে বিতর্ক চলছিল৷ তার মধ্যে আচমকা পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদের অনুমোদন বাতিল হয়ে গেল ইসলামপুরের সরস্বতী বিদ্যা মন্দির ও সরস্বতী শিশু মন্দিরের। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো। মুহূর্তেই এলাকার একটি বহু পুরোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি বিহীন হয়ে গেল।

প্রায় দেড় বছর আগে পাওয়া ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’-এর শীলমোহর খুলে নেওয়ায় কয়েক শতাধিক পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে। চরম বিভ্রান্তির মুখে অভিভাবকরাও। তারা কি করবেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না।

জেলার ভারপ্রাপ্ত বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) সুজিত মাইতি জানান, রাজ্য শিক্ষা দফতর ওই অনুমোদন বাতিল করেছে। এই বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ক্ষুদিরাম বসুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরস্বতী বিদ্যা মন্দির নামে অনুমোদন পায় মধ্য শিক্ষা পর্ষদের। কিন্তু সরস্বতী শিশু মন্দির নামে অনুমোদন ছিল না। এমনকি সেক্ষেত্রে এলাকা হিসেবে ইসলামপুরের উল্লেখ ছিল৷ কিন্তু সেখানে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঈশ্বরপুর লেখে৷ এই থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। আর এরপরেই এই পরিণতি। আচমকা ইসলামপুরের নাম বদলে বিদ্যালয়ের নাম ফলকে ঈশ্বরপুর করে দেওয়ার জেরেই এই পরিণতি।

বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের যাতে অন্য কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভরতি করানো যায় সেই বিষয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে৷ ওই বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ কি? শিক্ষা বর্ষের শেষে বার্ষিক পরীক্ষার মুহূর্তে পড়ুয়াদের নিয়ে অভিভাবকদের কি করণীয়? বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের অবস্থান এখন কোন পর্যায়ে? এখন এই সব প্রশ্ন উঠছে৷ এরই মধ্যে অন্যান্য সংগঠনের তরফে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিলে হাঁটছেন একাধিক মানুষ।