কলকাতা : রাজ্য জুড়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। রাজ্য সরকার জানিয়েছে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে এই নির্দেশিকা জারি থাকবে। সাম্প্রতিক কালে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

রাজ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া গাইডলাইন মেনেই জারি থাকবে নিষেধাজ্ঞা। তবে সোমবার প্রকাশিত হওয়া এক সার্কুলারে বেশ কিছু নিয়ম ও নির্দেশিকার ঘোষণা করেছে নবান্ন।

এক বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে

১. সিনেমা হল, থিয়েটারে পঞ্চাশ শতাংশের বেশি দর্শক থাকতে পারবেন না।

২. তবে এখনই স্কুল-কলেজ খোলার খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

৩. প্রশিক্ষণ ব্যতীত কোনও প্রতিযোগিতার জন্য কোনও সুইমিং পুল ব্যবহার করা যাবে না।

৪. কনটেনমেন্ট জোনের ভিতরে কোনও সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।

৫. যে ঘরে বা হলে ২০০জন লোক জমায়েত করতে পারেন, সেখানে ৫০ শতাংশ লোককে থাকার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

৬. যদি জমায়েত করার প্রয়োজন হয়, তবে তা খোলা জায়গায় অনুমতি সাপেক্ষে করা যেতে পারে। স্থানের আকারের ওপর নির্ভর করবে জমায়েত হওয়া মানুষের সংখ্যা।

এদিকে, বাংলায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা কমে ৫৭, আক্রান্তও চার হাজারের নিচে৷ তুলনামূলক একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন বেশি৷ ফলে ফের বেড়েছে সুস্থতার হার৷

সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত ৩,৯৫৭ জন৷ রবিবার ছিল ৩,৯৮৭ জন৷ তুলনামূলক ফের সামান্য বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা৷ তবুও সংখ্যাটা চার হাজারের নিচেই আছে৷সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত ৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬০৮ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ রবিবার ছিল ৫৯ জন৷ মৃতের নিরিখেও সামান্য কমল দৈনিক মৃতের সংখ্যা৷ তবে সব মিলিয়ে এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬,৯৫৭ জনের৷ প্রায় ৭ হাজার৷

যে ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৩ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৩ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৬ জন৷ হাওড়ার ৭ জন৷ হুগলি ২ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ৩ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ২ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ নদিয়া ৩ জন৷ মালদা ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ কোচবিহার ২ জন৷

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪,০৮৫ জন৷ রবিবার ছিল ৪,০৫৩ জন৷ সব মিলিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৫ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৮৮.৫৯ শতাংশ৷ রবিবার ছিল ৮৮.৪৪ শতাংশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I