কলকাতা: বেলাগাম সংক্রমণ রাজ্যে। জেলায়-জেলায় বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের হেল্থ বুলেটিন চোখ কপালে তোলা পক্ষে যথেষ্ট। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৮ হাজার মানুষ। একদিনে বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জনের। সংক্রমণের এই গ্রাফে ঘোর উদ্বেগ রাজ্যজুড়ে। এখনই সতর্ক না হলে বড়সড় খেসারত চোকাতে হতে পারে বঙ্গবাসীকে, এমনই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভোটের বাংলায় লাগামাড়া করোনার সংক্রমণ। বাংলায় জাঁকিয়ে বসেছে করোনাভাইরাস। বঙ্গে রীতিমতো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে করোনা। শুক্রবারের চেয়েও শনিবার বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যু। এদিন সন্ধেয় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৭১৩ জন। শুধু শহর কলকাতাতেই একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৯৮ জন। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে কলকাতার পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় নতুন করে ১ হাজার ৬৩৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একদিনে করোনায় কাবু আরও ৪৯১ জন। হাওড়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৩২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরই পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক জেলায় করোনার সংক্রণম নতুন করে ছড়িয়ে পড়ছে। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৫০৮ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার ৫৪০ জনের।

গোটা দেশেই সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি। শনিবার দেশে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড! একদিনে করোনা আক্রান্ত ২ লক্ষ ৩৪ হাজারেরও বেশি। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ২৬ হাজার ৬০৯ জন। দেশে সুনামির মত আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। লাগাতার বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট অনুযায়ী আক্রান্তের নিরিখে ভারত আবার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাস থাবা বসিয়েছে ২ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৯২ জনের শরীরে। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনার বলি ১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৬৫০ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.