কলকাতা: বাংলায় প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ আক্রান্ত৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত চার হাজারের বেশি৷ মৃত আরও ৬০ জন৷ তবে কিছুটা বাড়ল দৈনিক সুস্থতার হার৷

নবমীর সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত ৪,১২৭ জন৷ শনিবার ছিল ৪,১৪৮ জন৷ সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ৷ তথ্য অনুযায়ী,৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৭০১ জন৷

একদিনে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে ৷ শনিবার ছিল ৫৯ জন৷ এই পর্যন্ত রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ৬,৪৮৭ জন৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা বাড়তে বাড়তে ৩৭ হাজার ছাড়াল৷ এদিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,৩৭ হাজার ১৭ জন৷ শনিবার ছিল ৩৬ হাজার ৮০৭ জন৷ তুলনামূলক ২১০ জন বেশি৷ পয়লা অগস্ট অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা ২০ হাজারের একটু বেশি ছিল৷ তারপর প্রতিদিনই বাড়ছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷

এদিনও নতুন আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হয়ে উঠার সংখ্যাটা কম৷ একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৮৫৭ জন৷ শনিবার ছিল ৩,৭৫৩ জন৷ এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী, ৩ লক্ষ ৬ হাজার ১৯৭ জন৷ সুস্থতার হার একটু বেড়ে ৮৭.৫৬ শতাংশ৷ শনিবার ছিল ৮৭.৪৯ শতাংশ৷

একদিনে যে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে কলকাতার ১৪ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ১৮ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৪ জন৷ হাওড়ার ৩ জন৷ হুগলি ৩ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ৩ জন৷ বীরভূম ৩ জন৷ মুর্শিদাবাদ ৩ জন৷ মালদা ২ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ২ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷

যদিও বাংলায় একদিনে ৪২ হাজার ৫৩৮ টি নমুনা টেস্ট হয়েছে৷ শনিবার ছিল ৪৪ হাজার ৭২৪ টি৷ এই মূহুর্তে মোট টেস্টের সংখ্যা প্রায় ৪৩ লক্ষ৷ তথ্য অনুযায়ী ৪২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৩৩৯ টি৷ প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৪৭,৭৫৯ জন৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷ আশা করা যায় ওই ল্যাবরেটরিতে শীঘ্রই টেস্ট শুরু হবে৷

বাংলায় এই মূহুর্তে ৯৩ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৩৮ টি হাসপাতাল ও ৫৫ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১২,৭৫১ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷ কিন্তু সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার রয়েছে ৫৮২টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.