কলকাতা: রাজ্যে ফের দৈনিক মৃতের সংখ্য বাড়ল৷ গত ২৪ ঘন্টায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শুক্রবার এই সংখ্যাটা ছিল ৮ জনে৷

শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪১০ জন৷ শুক্রবার ছিল ৪০৬ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৪১৬ জন৷ সব মিলিয়ে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭১৪ জন৷

বাংলায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের৷ শুক্রবার এই সংখ্যাটা ছিল ৮ জনে৷ তুলনামূলক ফের বাড়ল দৈনিক মৃতের সংখ্যা৷ তারফলে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ১০৭ জন৷ এদের মধ্যে শুধু কলকাতায় মৃত্যু হয়েছে ৩,০৫৮ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার সংখ্যাটা ২,৪৫২ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণায় তিন জন করে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে৷ হাওড়ায় ২ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও নদীয়ায় একজন করে মৃত্যু হয়েছে৷

চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যুহারও ৷ ২২ জানুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলায় মৃত্যু হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ৷ বেশ কিছুদিন ধরে সংখ্যাটা একই জায়গায় দাড়িয়ে আছে৷ তবে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীনের সংখ্যাটা কমে ১ হাজার ২৯৬ জন৷ হোম আইসোলেশনে ৫ হাজার ১৪২ জন৷ আর সেফ হোমে রয়েছেন মাত্র ৩২ জন৷

বাংলায় গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৭৪ জন৷ শুক্রবার ছিল ৪৯৩ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৫১৭ জন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ৫১ হাজার ২১১ জন৷ আর সুস্থতার হার বেড়ে ৯৭.০৯ শতাংশ৷

একদিনে টেস্ট হয়েছে ২৮ হাজার ২৪২ টি৷ বাংলায় মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৭৮ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৭৮ লক্ষ ৮ হাজার ৮২ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৮৬,৭৫৬ জন৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা সাড়ে ৬ হাজারের নিচে নেমে এল৷ তথ্য অনুযায়ী,৬ হাজার ৩৯৬ জন৷ শুক্রবার ছিল ৪৭০ জন৷ তুলনামূলক ৭৪ জন কম৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ১০২ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বি: দ্র: – প্রতিদিন সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন থেকে যে বুলেটিন প্রকাশিত হয়,সেখানে আগের দিন সকাল ৯ টা থেকে বুলেটিন প্রকাশিত হওয়ার দিন সকাল ৯ টা পর্যন্ত তথ্য উল্লেখ করা হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।