কলকাতা: দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণে একটু স্বস্তি হলেও রাজ্যের সংক্রমণ স্বমহিমায় বেড়ে চলেছে। বন্ধ আছে লোকাল ট্রেন, গণপরিবহণের সংখ্যাও ৫০ শতাংশ কমানো হয়েছে রাজ্যে। তাতেও রাশ টানা যাচ্ছে না দৈনিক সংক্রমণে। গত কালের থেকে আজকে বেশ খানিকটা বাড়লো দৈনিক সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ২০ হাজার ছাপিয়ে গেল বঙ্গে। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১০ লক্ষ ৩২ হাজার। যা রীতিমতন চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২০ হাজার ১৩৬ জন। যা বাংলায় এই প্রথম। এর মধ্যে শহর কলকাতায় একদিকে আক্রান্ত ৩ হাজার ৯৭৩ জন। সংক্রমণের নিরিখে এদিন ফের তিলোত্তমাকে ছাপিয়ে গেল উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সেখানে ৩ হাজার ৯৯৮ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ১ হাজার ১১৫ জন। হাওড়া ও হুগলিতে একদিনে আক্রান্ত যথাক্রমে ১, হাজার ১৯১ জন ও ১ হাজার ১৩৭ জন। উল্লেখযোগ্যভাবে দৈনিক সংক্রমণ বাড়ল নদিয়ায়। একদিনে এই জেলায় আক্রান্ত ১ হাজার ০৪০ জন। রাজ্যের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনস্থল দার্জিলিংয়েও কমছে না সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৭১৫ জন। ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১০ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৪০ জন।

একইসঙ্গে এই ভাইরাস এখনও কেড়ে চলেছে মানুষের প্রাণও। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনার বলি ১৩২ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১২ হাজার ৫৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিড-১৯-এ।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে জয় করে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯৯৪ জন। রাজ্যে বর্তমানে সুস্থতার হার ৮৬.৪২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৬৮ হাজার ১৪২ জনের।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ লকডাউন হচ্ছে না জনিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে লকডাউনের মতো করে চলতে রাজ্যবাসীদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ধর্মীয় জমায়েত, বিয়ে বাড়ি, উৎসবে ৫০ এর বেশি জমায়েত করতে মানা করা হয়েছে । প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অনুষ্ঠান করতে বলা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.