কলকাতা: বাংলায় বাড়ছে সুস্থতার হার, কমছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা৷ গত ২৪ ঘন্টায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ আক্রান্ত আরও ৩,২০৬ জন৷ একদিনে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ জন কম৷

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩,২০৬ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩,২৪৬ জন৷ তুলনামূলক দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা সামান্য কমল৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫২২ জন৷ প্রায় ৫ লক্ষ৷

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৪৯ জন৷ ফলে দৈনিক মৃতের সংখ্যাটা ফের বাড়ল৷ তারফলে মোট মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ৮,৬২৮ জন৷

মৃত ৫২ জনের মধ্যে কলকাতার ১১ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার ১৭ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৭ জন৷ হাওড়ার ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ২ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মুর্শিদাবাদ ৩ জন৷ মালদা ১ জন৷ দক্ষিণ দিনাজপুর ১ জন৷ উত্তর দিনাজপুর ১ জন৷ দার্জিলিং ৩ জন৷

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২১৫ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ৩,২৫৭ জন৷ তুলনামূলক কম৷ তবুও বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৮৪৯ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.৪২ শতাংশ৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ২৪ হাজারের সামান্য বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী, ২৪ হাজার ৪৫ জন৷ বৃহস্পতিবার ছিল ২৪ হাজার ১০৬ জন৷ তুলনামূলক ৬১ জন কম৷

এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬০ লক্ষ৷ তথ্য অনুযায়ী ৬০ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৭৯ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৬৭,১৯২ জন৷ একদিনে ৪৪ হাজার ৩৫১ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৫ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।