কলকাতা: বাংলায় মোট আক্রান্ত সাড়ে চার লক্ষ ছাড়াল৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ৩,৬৩৯ জন৷ তবে এই পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি৷ মোট মৃত প্রায় ৮ হাজার৷

শনিবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩৬৩৯ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,৬২৬ জন৷ তুলনামূলক ফের সামান্য বাড়ল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা৷ সব মিলিয়ে মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০ জন৷ তবে এদিনের আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি৷

একদিনে বাংলায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ শুক্রবার ছিল ৫০ জন৷ তুলনামূলক দৈনিক মৃতের সংখ্যা ফের বাড়ল৷ সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার৷ তথ্য অনুযায়ী, ৭,৯৭৬ জন৷

মৃত ৫৩ জনের মধ্যে কলকাতার ৯ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণারও ১৯ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২ জন৷ হাওড়ার ৬ জন৷ হুগলী ৪ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ৪ জন৷ পূর্ব বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ২ জন৷ নদিয়া ২ জন৷ মুর্শিদাবাদ ১ জন৷ দার্জিলিং ১ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৭৯৪ জন৷ শুক্রবার ছিল ৩,৮৫০ জন৷ তুলনামূলক কম৷ তবুও বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ৪০৩ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৬৩ শতাংশ৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ২৬ হাজারের নিচে নেমে এল৷ তথ্য অনুযায়ী,২৫ হাজার ৩৯১ জন৷ শুক্রবার ছিল ২৫ হাজার ৫৯৯ জন৷ তুলনামূলক ২০৮ জন কম৷

এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৫ লক্ষ৷ তথ্য অনুযায়ী ৫৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ৩১১ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৬০,৮৭০ জন৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ২০৮ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৫ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

বর্তমানে ১০১ টি সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন শয্যা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে সরকারি ৪৪ টি হাসপাতাল ও ৫৭ টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে৷ হাসপাতালগুলিতে মোট কোভিড বেড রয়েছে ১৩,৫০৮ টি৷ আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১,৮০৯টি, ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে ১০৯০টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।