কলকাতা: বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা না কমলেও স্বস্তি দিচ্ছে রাজ্যের করোনা জয়ীর সংখ্যা। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে রাজ্যে বাড়ছে সুস্থতার হার। তবে একদিনেই একশত জনের বেশি মানুষের প্রাণ নিল এই মারণ ভাইরাস। দিন দিন বাংলার করোনা সংক্রমণে চিন্তার ভাঁজ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কপালে। উদ্বেগ বেড়েই চলেছে সাধারণের।

স্বাস্থ্যদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একদিনে বাংলায় মারণ ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৩৯ জন। গতকাল অর্থাৎ সোমবার এই সংখ্যাটা ছিল ১৭ হাজার ৫০১। অর্থাৎ সোমবারের তুলনায় সামান্য বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৩৩ জন। রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৭৪৪ জন। এদিন মৃত্যু হয়েছে ১০৭ জনের।যা এখনও পর্যন্ত রেকর্ড মৃত্যু। করোনার মরণ কামড়ে কলকাতায় মারা গিয়েছে ৩১ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় বলি হয়েছে ৩৩ জন। মৃত্যু সংখ্যা বাড়ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়াতেও।

করোনা আক্রান্তের নিরিখে জেলাগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। যেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৯৫৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে। এর ঠিক পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। যেখানে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৯১৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ছুঁইছুঁই।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৫৪৭ জন। যা সোমবারের তুলনায় বেশ কিছুটা বেশি। এই মুহূর্তে রাজ্যে সুস্থতার হার ৮৫.২৩ শতাংশ। তবে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় রাজ্যের চিকিৎসাধীন করোনা রোগী বা অ্য়াকটিভ রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। আজ বাংলার অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার ৯৪৬ জন।

অপরদিকে মঙ্গলবার হায়দরাবাদ থেকে রাজ্যে আসছে আরও দেড় লক্ষ কোভ্যাক্সিন৷ আপাতত এর সাহায্যে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ শুরু করা যাবে বলে আশা করছে চিকিৎসা মহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.