কলকাতা: বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়াল৷ মোট আক্রান্ত আরও ৫ লক্ষের কাছাকাছি৷ তবে এই মূহুর্তে সক্রিয় আক্রান্ত ২৪ হাজারের সামান্য বেশি৷

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,একদিনে আক্রান্ত ৩,২৪৬ জন৷ বুধবার ছিল ৩,২৭১ জন৷ তুলনামূলক দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা সামান্য কমল৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩১৬ জন৷

গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ বুধবার ছিল ৫১ জন৷ ফলে দৈনিক মৃতের সংখ্যাটাও একটু কমল৷ কিন্তু মোট মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে ৮,৫৭৬ জন৷

মৃত ৪৯ জনের মধ্যে কলকাতার ১২ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণার ৫ জন৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৪ জন৷ হাওড়ার ৮ জন৷ হুগলী ৪ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ১ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ৩ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ পুরুলিয়া ১ জন৷ নদিয়া ৩ জন৷ মালদা ১ জন৷ জলপাইগুড়ি ২ জন৷ কোচবিহার ১ জন৷ আলিপুরদুয়ার ১ জন৷

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,২৫৭ জন৷ বুধবার ছিল ৩,২৭৫ জন৷ তুলনামূলক কম৷ তবুও বাংলায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৬৩৪ জন৷ সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.৩৮ শতাংশ৷

অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমে ২৪ হাজারের সামান্য বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী, ২৪ হাজার ১০৬ জন৷ বুধবার ছিল ২৪ হাজার ১৬৬ জন৷ তুলনামূলক ৬০ জন কম৷

এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে ৬০ লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ৬০ লক্ষ ২ হাজার ৯২৮ টি৷ ফলে প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় টেস্টের সংখ্যা বেড়ে হল ৬৬,৬৯৯ জন৷ একদিনে ৪৪ হাজার ১৩০ টি৷

এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৯৫ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১ টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।