প্রিয়াঙ্কা দত্ত, কলকাতা: ১৮ দিন ব্যাপী চলেছিল মহাভারতের যুদ্ধ। সে এক ম্যারাথন যুদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ( West Bengal Assembly Election)  ও একপ্রকার ম্যারাথন যুদ্ধই ছিল বটে। প্রায় দেড় মাস ধরে টানা আট পর্বের ভোট যুদ্ধ। আবার ইতিহাসের পলাশীর যুদ্ধের সাথেও তুলনা করা যেতেই পারে এই ভোটযুদ্ধকে।  ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ যেভাবে বাংলার ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল, সেভাবেই এই নির্বাচন রাজ্যের সাম্প্রদায়িক, সাংস্কৃতিক চরিত্রের একটা বড়সড় পরিবর্তনের পথ প্রদর্শক।

ভারতের গণতন্ত্রে যে কোনও রাজ্যেই প্রতি পাঁচ বছর পর পর বিধানসভা নির্বাচন হয়ে থাকে, পশ্চিমবঙ্গেও সেরকমই এই নির্বাচন একটা রুটিন ভোটপর্ব ছিল। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় আরো চারটে রাজ‍্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল – তামিলনাড়ু, কেরল, পন্ডিচেরী, অসম। কিন্তু বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে যেভাবে কভারেজ দিয়েছে, তাতে মনে হয়েছে, যে এটি একটি জাতীয় বিধানসভা নির্বাচন। অতীতে এমনটা হতে দেখা যায়নি, যে একটা রাজ‍্যের বিধানসভা নির্বাচন  এরকম সর্বভারতীয় কভারেজ পেয়েছে। গত দুমাস ধরে হুইলচেয়ারে প্রচার চালিয়ে যাওয়া তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি ( Mamata Banerjee) বনাম দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ( Amit Shah) থেকে শুরু করে  উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগী ( Adityanath Yogi) জে পি নাড্ডা ( J P Nadda) জুটির রোড শো, জনসভা, বিজয়রথ অভিযান যেভাবে জাতীয় চ্যানেলগুলোতে কভারেজ পেয়েছে,তা সত্যি বিরল।

অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে জেরবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব হয়তো পশ্চিমবঙ্গ জয়কেই তাদের সেরা ট্রফি হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। একদিকে যেমন যে কোন পরিস্থিতিতে বিজেপি চেয়েছে, চাণক্যের নীতি – সাম, দাম, দণ্ড, ভেদ প্রয়োগ করে  ক্ষমতায় আসতে, অন্যদিকে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে লড়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এতদিন পর্যন্ত  লড়াইটি ছিল উচুস্তরে । কিন্তু ২রা মে ফল ঘোষণার পর থেকেই লড়াইটি নেমে গেল নিচুস্তরে। যেভাবে হিংসা ও সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে, তা সত্যিই নিন্দনীয়। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসা প্রতিটি সংবাদমাধ্যমের আজ আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। গণতন্ত্রের উৎসব শেষ, কিন্তু তারপরেও হিংসা ও সংঘর্ষের ঘটনা যেন কিছুতেই কমছে না বঙ্গে।

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের শপথের দিনেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি, জেপি নাড্ডা কলকাতায় পৌঁছেছেন। আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের সাথে ফোনে বার্তালাপ সেরেছেন। আবার একদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্ট চেয়েছে অন্যদিকে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের টুইট, যেখানে তিনি এই সন্ত্রাসকে ‘সাংবিধানিক সঙ্কট’ বলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো একটা রাজ্যে, পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে  রাজ্যপাল যখন ‘সাংবিধানিক সঙ্কট’ বলেন এবং প্রধানমন্ত্রী ফোন করেন তখন স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে। আর তাই বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বেরিয়ে যাওয়ার পরেও দেশজুড়ে চর্চিত বিষয় হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসা।

যে কোনও ধরনের হিংসাই কঠোরভাবে নিন্দে করতে হবে। এ এক নিন্দনীয় বিষয়, যে ক’জন বিজেপি-র কর্মী মারা গেছেন আর ক’জন তৃণমূলের কর্মী মারা গেছেন অথবা কোথায় কোথায় সিপিএম কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, কোথায় কংগ্রেস কর্মী নিখোঁজ। আমরা কেন বলিনা যে সাধারণ মানুষ এই সন্ত্রাসের শিকার হচ্ছে, আমরা কেন বারংবার এই প্রশ্ন তুলি যে কোন দলের কর্মী ছিল? আমরাই কি নিজেরা অসংবেদনশীল হয়ে পড়ছি না? নিজেরা গণতন্ত্রের মতাধিকার প্রয়োগ করে যে সরকার নির্বাচিত করেছি তাহলে কেন এই সন্ত্রাস, কেন এই হিংসা? কেন বারবার পশ্চিমবঙ্গের মতো এক সংস্কৃতিসম্পন্ন রাজ্যকে ভোটের শেষে স্বজনহারা আর্তনাদের সাক্ষী থাকতে হয়? কেনই বা স্বজনহারাদের বাড়িতে মিডিয়াকর্মীদের ভিড় এবং নেতাদের বাক্য বিনিময়, আরোপ – দোষারোপের পালা পর্ব চলতে থাকে?  এমনটাও তো একেবারেই কাম্য নয় যে তৃণমূলের নেতারা বিজেপির নিহত ব্যক্তিদের জন্য শোক প্রকাশ করবেন না, বা  বিজেপি নেতারা তৃণমূলের নিহত ব্যক্তিদের জন্য শোক প্রকাশ করবেন না। আমরা যে কোনও ধরনেরই এই রাজনৈতিক হিংসাকে নিন্দনীয় বলব এবং বারবার রাজনৈতিক কর্মীর হত্যার বিরোধিতা করব।

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা এটাই যে প্রথম ঘটেছে, এমনটা তো নয়। তাহলে এবার ফেরা যাক পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে। অতীতে কখনও এমন কোন নির্বাচন দেখা যায়নি যেখানে ভোটের শেষে হিংসা হয়নি, যখন সিপিএম এর সাথে লড়াই -এ  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অসফল হয়েছেন তখন ঠিক এভাবেই নির্বাচনের পরে পশ্চিমবঙ্গে হিংসা হয়েছে। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই রাজনৈতিক হিংসাকে জাতীয় ইস্যুতে পরিণত করতেন।

গৌরী নস্কর ( Gauri Naskar) নামটি ইতিহাস আজও মনে রেখেছে, ৩৭ বছর বয়সী গৃহবধূ, ২০০৮ সালের ১ মে বাসন্তীতে তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। বামফ্রন্ট সরকারের তৎকালীন সেচমন্ত্রী সুভাষ নস্করের পুত্রবধূ গৌরী। আরএসপি সদস্য সুভাস নস্কর ১৯৮২, ১৯৮7, ১৯৯১, ১৯৯৯, ২০০১, ২০০০ এবং ২০১১ সালে বাসন্তী বিধানসভা আসনে জয় লাভ করেছিলেন। তবে, সিপিআইএমের ( CPIM) পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর বাড়িতেও হামলা করেছিল। গৌরী নস্করের মৃত্যু কেবলমাত্র প্রমাণ করেছিল যে সিপিআইএম কীভাবে গ্রামীণ বাংলাকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের সাথে নিয়ন্ত্রণ করেছিল। এমনকি কর্মীদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। এটি বিদ্রূপজনক তবে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে বামফ্রন্টের অংশীদার আরএসপি পরে কেরালায় বাম জোট ছেড়ে দিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এ যোগ দিয়েছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হত্যার ট্রাডিশন বোঝার জন্য আমাদের ১৯৮০ এর দশকে ফিরে যেতে হবে, যখন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বিধানসভায় একটি বক্তৃতায় স্বীকার করেছিলেন যে সেই নির্দিষ্ট বছরে ৮৬ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। (১৯৮৮-৮৯)। নিহত ৮৬ জনের মধ্যে ৩৪ জন সিপিআইএম কর্মী ছিলেন। ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের যুব কংগ্রেসের তত্কালীন সভাপতি প্রদ্যুৎ গুহ রাজীব গান্ধীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। প্রদ্যুৎ গুহ রাজীব গান্ধীকে লেখা তাঁর চিঠিতে রেকর্ড করেছিলেন যে ১৯৮৯ সালের প্রথম ৫০ দিনে (জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি) পশ্চিমবঙ্গে ২৬ টি রাজনৈতিক হত্যাকান্ড হয়েছিল।

বর্ধমানের প্রাক্তন বিধায়ক কাশীনাথ তাহের ( Kashinath Tah) রহস্যজনক পরিস্থিতিতে নির্মমভাবে হত্যার বিবরণে আজও গ্রামবাসী আঁতকে ওঠে। “স্যর, শুনছেন?” মুখ ঘোরাতেই গলায় কোপ। দিনটা ২৬ মে, ১৯৮৪। শান্তিপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র যে ডাকঘর, তার কাছেই রাস্তায় খুন হয়ে গেলেন শান্তিপুরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন পুরপ্রধান অসমঞ্জ দে ( Asamanjya Dey)।

জাতীয় অপরাধ ব্যুরো রেকর্ডগুলির (National Crime Records Bureau) অনুযায়ী ১৯৯৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে প্রতি বছর কমপক্ষে ২০ টি রাজনৈতিক হত্যা হয়েছে। রাজনৈতিক হিংসা ও সন্ত্রাসের ঘটনা বহুবার শিরোনামে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য থেকেও এটি ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়, সারা দেশে ১৬ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকেই ছিল ৭ জন।

২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের প্রথম পাঁচ মাস বুঝতে একটি আরটিআই ( RTI) মামলা করা হয়েছিল। মামলাটি করেন শ্যামল মিত্র ( Shyamal Mitra)। সামনে আসে রাজনৈতিক হিংসার কাঁপিয়ে দেয়া তথ্য। রিপোর্টে এসেছিল যে প্রথম পাঁচ মাসে ২৭ জন নিহত হয়েছিল, এবং রাজ্যে ছাত্র রাজনীতির কারণে ১২৮ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিল। নিহত ২৭ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জন টিএমসি ( TMC ) সমর্থক ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের প্রথম পাঁচ মাসে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে ৫৮৬ টি রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক হিংসার বলি হতে হয়েছিল এগারো জনকে এবং রেহাই পায়নি একটি দুই বছর বয়সী শিশুও।

ভোটের ফল বেরনোর পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার সাধারণ মানুষ এবং সব রাজনৈতিক দলকেই শান্ত সংযত থাকার আবেদন করেছেন। কোনওরকম অশান্তি হলে প্রশাসনিক প্রধান ও পুলিশ কর্তাদের কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শপথ গ্রহণের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তি রক্ষা করার বার্তা দিয়েছেন। হিংসা নিবারণ করতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। আবার রাজ্যের নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করতে নবান্নে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল।

তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরার পরেই জাতীয় নেতারা ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় নিজেই জানিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রাজ্যের রাজনৈতিক সন্ত্রাস নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করলেন না? নির্বাচনী যুদ্ধের পরেও যদি রাজনৈতিক সৌজন্যতা না দেখা যায়, ক্ষমতা দখলের লড়াইটা যদি উপরস্তরেই চলতে থাকে তবে তার প্রভাব কিন্তু নিচুস্তরেও এসে পড়ে। উচ্চস্তর থেকেই যদি মিলিতভাবে ঐকতার কথা বলা হয়, হিংসা নয় মিলিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তাহলে অন্তত  নিচুস্তরের সন্ত্রাস থামানো যায় বলে মনে করা হয়। আবার পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দরকার হলে বিজেপির যাঁরা শীর্ষনেতা, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, আলাপ-আলোচনা করতে পারেন। বিরোধী দলেরও উচিৎ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ব্যাপারটাকে মীমাংসা করা। কোথাও গিয়ে তো এর শেষ করতে হবে। বরাবর ই তো এমন টা হতে পারে না।

এখন সকল প্রকার হিংসা, মারামারি, সন্ত্রাসের উর্ধে গিয়ে ঐক্যতার সুরে নিজেকে বাঁধতে হবে, কবিগুরুর বিভিন্ন পংক্তি তো আমরা ভোট ময়দানে খুব ব্যবহার করেছি, তাহলে রবীন্দ্র জয়ন্তীর প্রাক্কালে কেনই বা এত রাজনৈতিক সন্ত্রাস? এ কোন বাঙালি আমরা! যারা আমাদের সংস্কৃতিকে, কৃষ্টিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে চলেছে , তাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ এই প্রতিবাদী বাঙালিকেই তো  তুলতে হবে। বাঙালিকে প্রমান করতেই হবে যে ক্ষমতায় না এলেও সোনার বাংলা গড়া যায়, প্রত্যাবর্তনের পরও আগামী দিনের সুদৃঢ় পথপ্রশস্ত করতে ঐক্যতা বজায় রাখা যায় , গাওয়া যায় –

                              নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান;

                               বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান ।।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.