কলকাতা২৪x৭: ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ধারণাকে কড়া ভাষায় নিন্দা জানালেন কিংবদন্তি আর্সেনাল ম্যানেজার আর্সেন ওয়েঙ্গার। একইসঙ্গে আর্সেনাল সুপার লিগের শরিক হওয়ায় যারপরনাই হতাশ ওয়েঙ্গার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় ২০০৯ কিংবদন্তি এই ফরাসি কোচ আঁচ করেছিলেন মহাদেশের প্রথমসারির ক্লাবগুলোকে নিয়ে সুপার লিগের মত কোনও শক্তি গজিয়ে ওঠার সম্ভাবনা। আর তখনই এমন সম্ভাবনাকে ‘ব্যাড আইডিয়া’ আখ্যা দিয়েছিলেন ইপিএলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ কোচের হটসিটে বসা ভদ্রলোক।

অবশেষে এক যুগ বাদে ওয়েঙ্গার যে আঁচটা করেছিলেন তা দিনের আলো দেখার খুব কাছাকাছি। কিন্তু ১২ বছর পরে এসেও কিংবদন্তি কোচ সমানভাবে বিরোধীতা করছেন এই লিগের। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের সুরে সুর মিলিয়ে ফরাসি কোচের কথায়, ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগ ইউরোপিয়ান ফুটবলের গর্বের ইতিহাসকে কলুষিত করবে।’

প্রিমিয়র লিগের গ্লোবাল অডিও পার্টনার টক স্পোর্টকে ওয়েঙ্গার জানিয়েছেন, ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ভাবনাটা ভীষণই খারাপ। ফুটবলে সবসময় একজোট হয়ে থাকা এবং মেধার ভিত্তিতে সবকিছু নির্ধারণ হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে ইউরোপিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যকে রক্ষা করাটাও গুরুদায়িত্ব। ব্যক্তিগতভাবে আমার বিশ্বাস এই ভাবনা সুদূরপ্রসারী হবে না।’ সূত্রের খবর, সুপার লিগের শরিক হওয়ার কারণে উয়েফার গুরুত্বপূর্ণ পদ ছেড়েছেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের ভাইস-এক্সিকিউটিভ এড উডওয়ার্ডস।

ওয়েঙ্গার বলছেন, ‘আমার মনে হয় সুপার লিগ উদ্ভাবনের পিছনে প্রিমিয়র লিগের গুরুত্ব খর্ব করার ভয়ঙ্কর চক্রান্ত রয়েছে। আমি যখন আর্সেনালের কোচের পদে ছিলাম তখনই বাইরের দেশগুলো থেকে প্রিমিয়র লিগের আধিপত্য খর্ব করার নানা প্রচেষ্টা করা হত। আর আমার মনে হয় এই প্রোজেক্ট সেই ভাবনা থেকেই ত্বরান্বিত হয়েছে। আমি জানি না আর্সেনাল কী ভেবে এগোচ্ছে। তবে আমি আমার সমগ্র কোচিং জীবনে সবসময় ফুটবলে একতা বজায় রাখার চেষ্টা করে গিয়েছি। সারা বিশ্বের ফুটবল আমার চোখে সমান এবং সেটা একটিমাত্র সংস্থারই অধীনে।’

আরেক কিংবদন্তি স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন ইউরোপিয়ান সুপার লিগ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগ ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের দীর্ঘ ৭০ বছরকে উপেক্ষা করছে।’ ফার্গি আরও জানিয়েছেন, ‘উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের খ্যাতি জগৎজোড়া। আমার সময়ে ইউনাইটেড চারবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে খেলেছিল। আমার মনে হয় সেই রাতগুলো সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত স্পেশ্যাল হয়ে রয়ে গিয়েছে। আমি জানি না ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড এই নতুন ভাবনার কতোটা জুড়ে রয়েছে তবে আমি এই ভাবনার মধ্যে নিজেকে জড়াতে চাই না।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.