নয়াদিল্লি: pmcil india security press বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত আবেদনের জন্য জানানো হয়েছে। মোট ৪২ পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

আগ্রহী প্রার্থীদের দ্রুত অনলাইনে আবেদন করতে জানানো হয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ- ২১.১২.২০২০। welfare officer এর জন্য রয়েছে ১ টি শূন্য পদ। প্রার্থীদের কমপক্ষে ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা থাকতে হবে এই পদের জন্য। প্রার্থীদের মারাঠি ভাষা জানতে হবে এই পদের ক্ষেত্রে। এই পদের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের ২ বছরের জন্য অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বেতন হবে ২৯০০০-১১০০০০ টাকা মাসিক।

supervisor পদের ক্ষেত্রে রয়েছে ৮ টি শূন্য পদ। এই পদের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বি ই বা বি টেক করতে হবে। প্রার্থীদের ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে বয়স হতে হবে। প্রার্থীদের বেতন হবে ২৬০০০-১০০০০ বেতন হবে। supervisor technical control পদের জন্য রয়েছে ৭ টি শূন্য পদ। প্রার্থীদের বি ই বা বি টেক করতে হবে প্রিন্টিং টেকনোলোজি নিয়ে। প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। প্রার্থীদের বেতন ২৬০০০ থেকে ১০০০০ এর মধ্যে হবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিস্তারিত জানার জন্য https://ispnasik.spmcil.com এই ওয়েবসাইট দেখতে হবে। এছাড়া প্রার্থীদের আবেদন ফি বাবদ ৬০০ টাকা দিতে হবে। জরুরি তথ্য– ইন্টারনেটে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন লেখা হয়েছে। আবেদনের আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ভালো করে দেখে নিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।