অফিসের প্রচন্ড চাপ। কাজ করতে করতে একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে সাধের জীবনটা। লম্বা ছুটি নিলে আটকে যেতে পারে পরের ইনক্রিমেন্টটা। কিন্তু মন যে বড়ই চঞ্চল, সে যে আর কাজে বসতে চাইছে না। ল্যাপটপ, প্রেজেন্টেশন, অফিস ডেস্কের ছিকল ছিঁড়ে উন্মুক্ত হতে চাইছে মন। উপায় কি? উইকএন্ডে কাছে পিঠে তো ঘুরে আসাই যায়।

যাঁদের বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটা এই রকম তাদের জন্য রইল কলকাতার খুব কাছে কয়েকটি উইকেন্ড ডেস্টিনেশন।

বকখালি: এটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণের ঠিকানা। কলকাতা থেকে পৌঁছতে মাত্র ৪ ঘণ্টা লাগে। শিয়ালদা থেকে ট্রেনে নামখানা সেখান থেকে টোটো বা অটো করে পৌঁছে যান বকখালি। গাড়ি নিয়ে সড়কপথে ও যেতে পারেন। সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখুন ফ্রেজারগঞ্জ ও হেনরি আইল্যান্ড।

মৌসুনি আইল্যান্ড: এটিও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মধ্যে অবস্থিত। সাম্প্রতিককালে অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ স্পট। টেন্টে রাত কাটানো, নৌকাবিহার, রাতে বনফায়ার এই অভিজ্ঞতা গুলো উপভোগ করতে এখানে যেতেই হবে। কলকাতা থেকে মাত্র ৫ ঘণ্টার দূরত্ব। শিয়ালদা থেকে ট্রেনে নামখানা নেমে অটো করে চলে আসুন এখানে। বলে রাখা ভালো টেন্টে থাকতে হলে আগে থেকে অবশ্যই বুক করে রাখবেন।

ইটাচুনা রাজবাড়ি: এটি হুগলি জেলায় অবস্থিত। রাজকীয় কায়দায় একটা উইকেন্ড এখানে কাটিয়ে দেখুন ভালো লাগবে। খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থাও এলাহী। আগে থেকে বুক অবশ্যই করতে হবে। এখানে আসার জন্য ট্রেনে খননান স্টেশনে নেমে চলে আসুন। গ্রাম্য পরিবেশে রাজকীয় ভোজন, রাজবাড়ীর ইতিহাস, সন্ধারতি দেখতে মন্দ লাগবে না।

বিষ্ণুপুর: বাঁকুড়ায় অবস্থিত এই জায়গাটি মন্দির নগরী হিসেবেও চিহ্নিত হয়। অপূর্ব সুন্দর সব মন্দির, টেরাকোটার কাজ, সাথে অজানা ইতিহাস। বেশ ভালো লাগবে।

ঘাটশিলা: ২ দিনের ছুটিতে আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের ঘাটসিলা ভীষণ জনপ্রিয়। পাহাড়,সমুদ্র , নদী সবই পাবেন এখানে। এক কথায় থ্রি ইন ওয়ান। ঘাটসিলা যাবার জন্যে অনেক ট্রেন আছে। কলকাতা থেকে মাত্র ৩ ঘণ্টার দূরত্ব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.