কথায় বলে কর্মই জীবন। আর আমাদের জীবনও কর্ম আর বিভিন্ন দায়িত্ব সামলে কখনও কখনও হাঁপিয়ে ওঠে। তাই সাময়িক অবসর অবশ্যম্ভাবী। মন চায় প্রিয় মানুষটির হাত ধরে বা বন্ধুদের সাথে নিয়ে কংক্রিটের জঞ্জাল ছাড়িয়ে একটু দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে। আর সখের কেনা বাইক যদি নাগালের মধ্যে থাকে, তবে তো আর কোন কথাই নেই। প্রিয় দু- চাকাতে সওয়ারি হয়ে, জনাকয়েক বন্ধু বা প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে হঠাৎ করে বেরিয়ে পড়ে একদিনের ছুটি কাটিয়ে আসা এখন অনেকের কাছে ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। লম্বা বাইক রাইডে অনেকই খুঁজে পান রোমাঞ্চ ও স্বাধীন ভাবে বাঁচার পরিতৃপ্তি। তাঁদের জন্যই আজকের এই প্রতিবেদনে থাকবে কলকাতার বেশ কাছে অবস্থিত একটি আকর্ষণীয় ট্যুরিস্ট স্পটের ঠিকানা।

ঝিলিমিলি। নামের মধ্যেই কেমন একটা ভালোলাগা লুকিয়ে আছে। ঝিলিমিলি বাঁকুড়ায় অবস্থিত। কলকাতা থেকে ঝিলিমিলির দূরত্ব প্রায় ২৮০ কিমি। ভোরবেলা কলকাতা থেকে রওনা দিলে খুব সহজেই দুপুরের মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। কলকাতা থেকে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে কোলাঘাট, খড়গপুর, লোধাসুলি, ঝাড়গ্রাম, বেলপাহাড়ী হয়েই পৌঁছে যাবেন ঝিলিমিলি। খড়গপুর ছাড়িয়ে লোধাশুলির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই প্রকৃতি যেন দুহাত বাড়িয়ে আঁকড়ে ধরে। দুপাশে জঙ্গলের বুক চিরে জাতীয় সড়ক দিয়ে যাত্রায় খুঁজে পাবেন এক অনাবিল আনন্দ।

বেলপাহারি থেকে ঝিলিমিলি যাওয়ার পথে পড়ে আমডুবির জঙ্গল, যা অন্যতম এক মনোরম স্থান। এই সবুজ ভেদ করে চলে যাওয়া কালো পিচের রাস্তায় বাইক চালানোর মজাই আলাদা। ঝিলিমিলি তে আছে বিভিন্ন বাজেটের হোটেল ও রিসর্ট। যায়গাটা এখনো অফ বিট হওয়ার কারণে পর্যটকদের ভীড় ও খুব বেশি নয়। তাই প্রি বুকিং না থাকলেও থাকার জন্য হোটেল পেতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। সবুজের মাঝে বসে দিকচক্রবালে সূর্যের ঢলে পড়া দেখার এক অপার্থিব হাতছানি, সৌজন্যে ঝিলিমিলি। যাঁরা বাইক যাত্রার অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন, তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন এই সবুজের দেশ। মন্দ লাগবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.