চলছে বিয়ের মরশুম। শীতের বিদায় বেলা চলে আসলেও এখনও আকাশে বাতাসে বাজছে সানাইয়ের সুর। চারিদিকে আলোর রোশনাই। আর বিয়ে মানেই আবার কেনাকাটার মরশুম। আত্মীয়ের বিয়ে হোক বা বন্ধু-বান্ধব, অফিস কলিগ সম্পর্কের গুরুত্ব অনুযায়ী কাকে কী গিফট দেওয়া যায় তা আগে থেকেই ভেবে রাখা ভালো। কারণ, এতে করে হঠাৎ করে আপনার উপর অনেক চাপ পড়বে না আবার অযথা সময়ও নষ্ট হবে না।

তবে একদম কাছের মানুষ হোক বা একটু দূর সম্পর্কের। বিয়ে বাড়ির উপহার হিসেবে গিফট এমন হওয়া উচিত যেগুলি আপনার বাজেটের মধ্যেই থাকবে আবার আপনার রুচিও প্রকাশ পাবে। শুধু তাই নয়, ধারাবাহিকতার ছক ভেঙে বিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে পারেন আলাদা ধরনের কোনও গিফট। যার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেতে পারে আপনাদের সম্পর্কের গুরুত্ব।

 

বিয়ের মতো একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে উপহার পেতে কার না ভালো লাগে? তবে সেই হাল আমল থেকে এখনও পর্যন্ত বিয়ে বাড়ির গিফটের প্রাপক হিসেবে বর বাবাজীরা ব্রাত্যই রয়ে গিয়েছেন। কনের মতো দামি দামি গিফট পাওয়া নৈবঃ নৈবঃ চ। আর নিমন্ত্রণের দিক থেকে আপনি যদি বরপক্ষ হন তাহলে কনের জন্য গিফটের চিন্তা ছাড়ুন। সামর্থ্য অনুযায়ী উপহার দিন বর মশাইকে। দেখবেন খুশি কাকে বলে।

তবে সম্পর্কের গুরুত্ব অনুযায়ী গিফট বাছাই করার কথা ভুললে চলবে না।

বন্ধু হোক বা অফিস কলিগ একটু দূর সম্পর্কিত কেউ হলে ছেলে পক্ষ হিসেবে গিফট হিসেবে যেসব জিনিস রাখতে পারেন উপহারের তালিকায় সেগুলি হল…

1:- গিফট ভাউচার- বন্ধুদের বিয়েতে এর থেকে ভালো গিফট আর কিছু হয় না। কারণ, বন্ধু হোক অথবা কলিগ কাউকে গিফট ভাউচার উপহার হিসেবে দিলে তা ঘরের কোনায় পড়ে নষ্ট হবে না। এতে পরে নিজেদের পছন্দমত জিনিস কিনে নিতে পারবেন নব দম্পতি।

 

2:- আপনার বন্ধু যদি বইপ্রেমি বা গানবাজনা ভালোবেসে থাকেন তাহলে গিফট হিসেবে দিতে পারেন মিউজিক স্টোর, হোম থিয়েটারের সেট বা বইয়ের দোকানের গিফট ভাউচার।

3:- এছাড়াও বন্ধুকে দিতে পারেন কাফ্লিংসের সেট ( Cufflinks) অথবা টাই সেট। সুন্দর টাওয়াল সেটও গিফট হিসেবে দিলে মন্দ হয় না।

 

4:- ব্রোঞ্জ বা মেটালের ওয়াল হ্যাংগিং ডেকরেটিভ জিনিসও গিফট লিস্টে রাখতে পারেন।

5:- শুধু তাই নয়, এ সমস্ত জিনিস ছাড়াও উপহার হিসেবে অফিস কলিগ হোক বা বন্ধু তাঁকে পেডেস্টাল ল্যাম্পও গিফট দিতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।