স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : দিনভর চলবে হাঁসফাঁস করা গরম। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবারই এক লাফে সকালের পারদের থেকেও কলকাতায় বেশি বেড়েছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বেড়ে যায় প্রায় চার ডিগ্রি। যা হওয়ার কথা ছিল মেরেকেটে ৩৬ তা লাফিয়ে ছুঁয়েছিল প্রায় ৩৯ এর ঘর। আজ কলকাতার তাপমাত্রায় তেমন কিছু পরিবর্তন হবে না। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। উলটে পথ চলতি মানুষকে ভোগাবে প্রবল আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। বেড়েছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৪৭ শতাংশ, সর্বোচ্চ ৯৩ শতাংশ। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ২০ শতাংশ, সর্বোচ্চ ৯৪ শতাংশ।

সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বনিম্ন ৫১ শতাংশ, সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ।

কতটা পরিবর্তন হয়েছে তাপমাত্রার তা স্পষ্ট। দ্রুত আবহাওয়া পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কিন্তু এত দ্রুত তা হবে অর্থাৎ সকালে পূর্বাভাস দেওয়ার পরেই দুপুরেই যে তা প্রকট হয়ে ফলপ্রসূ হবে এমন ভাবে তা ভাবা যায়নি। কারণ কলকাতার তাপমাত্রা সোমবার স্বাভাবিকের নীচে ছিল। সৌজন্যে ১৭ তারিখ সন্ধ্যায় মরসুমের প্রথম কালবৈশাখী। বৃষ্টিহীন ৫২ কিলোমিটার গতির ঝড় ঝাপটা পারদ দুই দিন ধরে স্বাভাবিকের নীচে রাখতে সক্ষম হয়। সোমবার দুপুর বেলা থেকে এর আমূল পরিবর্তন হয়। সকালের ঠান্ডা হাওয়া বেলায় গরম হয়ে ‘লু’এর মতো বইতে থাকে। সঙ্গে আপেক্ষিক আর্দ্রতা।

দক্ষিণবঙ্গের জেলায় মূলত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আগামী তিন থেকে চারদিন দিনে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস মিলছে। তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টি এবং সঙ্গে ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.