কলকাতা : আরও একটু বাড়ল শহরের তাপমাত্রা। অস্বস্তিকর জায়গায় না পৌঁছলেও অল্প অল্প করে তা ক্রমবর্ধমান তা স্পষ্ট। মাঝে মাঝে তা হঠাৎ অল্প নেমে যাচ্ছে কিন্তু তা শীতের আবহকে ধরে রাখা মাত্র। এর চেয়ে বেশী কিছু হবে না। ক্রমশে বাতাসে আসবে বসন্তের ছোঁয়া। তবে বসন্তের মনোরম আবহাওয়া শুধু সকাল আটটা পর্যন্ত থাকে তারপরেই অস্বস্তি হতে শুরু করে। এটাই কলকাতার আবহাওয়ার আচরন। লাফিয়ে গরমের দিকে ধাবমান হয় পারদ। এদিন সকালের তাপমাত্রাও সেদিকেও ইঙ্গিত করছে।

সকালে অল্প রোদ দেখা দিতেই তাপমাত্রা পৌঁছে যাচ্ছে ২০ এর ঘরে। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩২ ডিগ্রির ঘরে। অর্থাৎ ব্যাপক গরম অনুভূত হবে বেলা বাড়লে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আজ মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল, আজ তা দুই ডিগ্রি বেশী হতে পারে স্বাভাবিকের থেকে। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯২ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৩২ শতাংশ।

রবিবার শহরে চার ডিগ্রি পারদ নেমেছিল। মূলত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে আকাশ মেঘাচ্ছন থাকছিল কলকাতায়। ফলে ক্রমে পারদ বাড়ছিল। স্বাভাবিক নিয়ম এই সময়ে তাপমাত্রা বাড়বে কিন্তু এতটাও নয়। রবিবার তাই নীচেই ছিল তাপমাত্রা। কলকাতায় রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার ওঠা-নামা জারি থাকবে। এভাবেই ধীরে ধীরে বিদায় নেবে এই মরসুমের শীত।

বাতাসে আর কনকনে ঠান্ডার পরশ নেই। মাফলার-টুপিতে মাথা মুড়ি দিয়ে আর পথ হাঁটছে না শহর। গরম পোশাক আবার ফিরে যেতে শুরু করেছে আলমারির তাকে। আবহাওয়া দফতর পূর্বাভাসে আগেই জানিয়েছিল, এবছর আর শীত পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। কলকাতা তো বটেই ধীরে ধীরে পারদ চড়বে জেলাগুলিতেও। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সেভাবে না হলেও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.