নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: নিম্নচাপের আশংকা ছিলই৷ সেই আশংকা সত্যি করে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে প্রবল নিম্নচাপ৷ যার জেরে দিঘা বকখালিতে উঠতে পারে ১২ থেকে ১৪ ফুট উঁচু ঢেউ৷ এমনই সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ শনিবার দিঘার সমুদ্রে প্রবল জলোচ্ছাসের জন্য পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে৷

এদিকে, সপ্তাহের শেষে বেশ ভীড় থাকে দীঘা-বকখালি-শঙ্করপুরে৷ সেই ভিড় সামলে প্রকৃতির রোষ থেকে বাঁচার জন্য তৈরি হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন৷ শুরু হয়েছে মাইকিং৷ সমুদ্রের তীরে কোনও পর্যটককেই ঘুরতে দেওয়া হচ্ছে না৷ ফলে বেশ মুষড়ে পড়েছেন পর্যটকরা৷

আরও পড়ুন : স্বেচ্ছা অবসরের মাধ্যমে কর্মী সঙ্কোচনের কথা ভাবছে বিএসএনএল

দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের খবর শুনিয়েছে হাওয়া অফিস৷ তবে দিঘাতে ঘণ্টায় ৪৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে আংশকা৷ ওড়িশা উপকূলের দিকে এই নিম্নচাপ সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলেও ঝোড়ো হাওয়ার হাত থেকে রেহাই নেই সমুদ্রউপকূলবর্তী এলাকাগুলির৷ যার মধ্যে অন্যতম দিঘা৷

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আবারও নিম্নচাপ তৈরির ফলেই ছুটির দিনগুলিতে সকাল থেকেই মুখভার থাকবে আকাশের৷ উত্তর বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে শনি ও রবিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টা সমুদ্রের কাছাকাছি এলাকাগুলিতে অন্ততপক্ষে ৪৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মৎস্যজীবিদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘার সমুদ্রে পর্যটকদের নামতে বারণ করা হয়েছে৷ জারি করা হয়েছে সতর্কতা৷ মূলত দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের সমুদ্রসৈকত নিয়েই কিছুটা চিন্তায় প্রশাসন৷ সমুদ্র তীরবর্তী দোকানগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে৷