কলকাতাঃ  শুধু বৃষ্টি নয় ঝড়ওও হবে ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী। এমনটাই সতর্কতা দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সৌজন্যে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ। যা আরও শক্তি সঞ্চয় করে প্রবল নিম্নচাপের আকার নিয়েছে। এর জেরে হাওড়া , কলকাতায় ঝড় বৃষ্টি যেমন হবে তেমন বেশি প্রভাব ফেলবে উপকূলীয় তিন জেলায়। এখানে ঝড়ের গতি বেশি হতে পারে। ফলে আম্ফান ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে আবারও ভয় ধরাচ্ছে এই নিম্নচাপ।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আবহাওয়া বিজ্ঞানী সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরী হয়েছে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ। এটি ক্রমে ঘনীভূত হবে। পরবর্তী ২৪ঘন্টায় এটি গভীর নিম্নচাপে। এর জেরে রাজ্যে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ষষ্ঠী থেকেই শুরু হতে পারে বৃষ্টি। চলতে পারে অষ্টমী পর্যন্ত।’ এমনটাই পূর্বাভাস কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের।

অন্যদিকে, ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। এমনটাই পূর্বাভাসে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে প্রশাসনকেও সতর্ক করা হয়েছে। এরপরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পুজো কমিটিগুলিকে কড়া সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের জেরে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ। তার জেরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

ইতিমধ্যে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যাঁরা গভীর সমুদ্রে রয়েছেন, তাঁদের দ্রুত ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশ পাওয়ার পরেই কাকদ্বীপ, ডায়মন্ড হারবার, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, সাগর প্রতিটি বন্দরে ফিরে এসেছে একাধিক ট্রলার। জেলা প্রশাসন সমস্ত ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে দিঘায় পর্যটকদের সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মাইকে প্রচার চালানো হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। দুর্যোগের জেরে ষষ্ঠীর সকালে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি, দিঘা প্রভৃতি এলাকায় বাজার হাট বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনকি, বসেনি দিঘা মোহনার মাছের বাজারও। মোতায়েন করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.