সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : ফেব্রুয়ারি শেষ হয়নি। এখনই বেলার পারদ পৌঁছে যাচ্ছে ৩৫ ডিগ্রিতে। নিয়মমাফিকই শহরের তাপমাত্রা বাড়ছে। কিন্তু তা এতটা বৃদ্ধি পাবে এমনটা বোঝা যায়নি। স্বাভাবিকের থেকে অনেকটা উপরে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। গ্রীষ্ম পড়লে তা হলে কী হবে। তা ভেবেই শিউড়ে উঠছে মানুষ। বিশেষ করে কলকাতায় এপ্রিলের শেষ প্রায় মার্চ মাসে ভোট। তখন দিনভর মানুষের যে হালদ খারাপ হতে চলেছে তা স্পষ্ট ফেব্রুয়ারির বেলার পারদেই।

আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি, মাস শেষ হতে এখনও একদিন বাকি। বসন্তের শুরু হয়েছে। কোথায় একটু মনোরম থাকবে আবহাওয়া তা নয়। বাড়তে বাড়তে শুক্রবারই ৩৫এ ঠেকেছিল শহরের পারদ। আজও তেমনটাই হতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। অর্থাৎ বেলায় ঘাম ছোটাবে, কারণ আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৭ শতাংশ। শুধুমাত্র সকালের দিকে একটু ঠিকঠাক থাকছে আবহাওয়া বেলা বাড়লেই গত দুই দিন ধরে হলকা লাগছে এখনই। আর তা ভেবেই মানুষ হয়রান কলকাতাবাসী, কারণ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়েছে। সবার শেষে ভোট হবে কলকাতায়, ২৬ ও ২৯ এপ্রিলে ভোট হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। অর্থাৎ মাঝ বৈশাখ।

আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশী। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি। সেদিনই হাওয়া অফিস জানিয়েছে কলকাতায় রাত ও দিনের তাপমাত্রা এবার স্বাভাবিকের থেকে উপরে উঠতে শুরু করবে। ভোটের সময় কেমন থাকবে আবহাওয়া সেই প্রসঙ্গে ফেব্রুয়ারি থেকে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়া দফতর। তবে স্বাভাবিক নিয়ম যে গরম ভালো রকম পড়বে তা স্পষ্ট তবে ওই নির্দিষ্ট দুই দিনে কেমন থাকবে আবহাওয়া তা এখন বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

জানা যাচ্ছে, শুক্র ও শনিবার থেকে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। সিকিম , দার্জিলিং , কালিম্পং , জলপাইগুড়ির বেশ কয়েকটি জায়গায় বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে এই সপ্তাহান্তেই হতে পারে বৃষ্টিপাত। যার রেশ সোমবার পর্যন্ত থাকবে। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। তাপমাত্রার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রবিবার পর্যন্ত আর্দ্রতা জনিত আস্বস্তি কম থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.