স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : তিন দিন পর শহরে রোদের দেখা মিলল। কিন্তু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়নি। কারণ অবশ্যই সাইক্লোন তান্ডব। শুক্রবার স্বাভাবিকের অনেক নীচে কলকাতার তাপমাত্রা।

শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৯ ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৯২ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যাপক পতন হয়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রায়। আজ দুপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি হতে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টি হয়েছে ছিটেফোঁটা।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৬৯ শতাংশ।

বুধবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল মঙ্গলবার ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৫ সর্বনিম্ন ৬৬ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছিল ১৩.৮ মিলিমিটার। সোমবার সন্ধ্যা থেকে হঠাৎ করেই হাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। গুমোট হতে শুরু করে আবহাওয়া। রাতভর অস্বস্তিকর গরম ভুগিয়েছে শহরবাসীকে।

সকালেও সেই অবস্থা বর্তমান ছিল। এ সবই যে ঝড়ের পূর্ববর্তী অবস্থা তা স্পষ্ট হয়ে যায়। মঙ্গলবার, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সোমবার ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এই ডিগ্রি বেশি ছিল। বুধবার দিনভর শহরের উপর ঝড়ের তাণ্ডব চলে। শহরে সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ১৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা।

দমদমের সকালের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বৃষ্টি হয়েছে ছিটেফোঁটা। সল্টলেকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেসিয়াস, বৃষ্টি হয়নি। আর্দ্রতার পরিমাণ দুই অঞ্চলেই আর্দ্রতা যথাক্রমে ৮৯ ও ৮৮ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।