মুম্বই: মুখে ২৬ হাজার টাকার মাস্ক পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় করোনা জ্ঞান দিলেন করিনা কাপুর। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। আর তারপরে শুরু হয় চর্চা। ছবিতে করিনা গাড়ির মধ্যে বসে আছেন এবং মুখে রয়েছে একটি কালো রঙের মাস্ক। ছবির কাপশনে লিখেছেন, ‘নো প্রোপাগান্ডা, জাস্ট ওয়্যার ইওর মাস্ক।’

অর্থাৎ প্রোপাগান্ডা নয়, কেবল নিজের মাস্ক পরার জ্ঞানই তিনি দিচ্ছেন এই পোস্টের মাধ্যমে। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিনেত্রীকে পড়তে হয়েছে সমালোচনার মুখে। আর পড়তে হবে নাই বা কেন! করোনা কালে দেশের অর্থনীতির এই দশা, সেই সময় দাঁড়িয়ে অভিনেত্রী এত দামী একটি মাস্ক পরে এমন করোনা জ্ঞান দিলে তা যে নেটিজেনদের হজম হবে না সেটা অস্বাভাবিক কিছু না।

এবছরই করিনা তার দ্বিতীয় পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু ছোট ছেলের মুখ এখনও মিডিয়ার সামনে আনেননি। নিন্দুকেরা বলছে বেবো নাকি ফুটেজ খাচ্ছে। তবে কি কারণে এখনো ছোট ছেলের মুখ বেবো দেখায়নি তা বলা যাচ্ছে না। তার বড় ছেলে তৈমুর ছোট থেকেই মিডিয়ার ফোকাসে রয়েছে। মিডিয়ার ক্যামেরায় মাঝে মধ্যেই ধরা পড়ে ছোট্ট তৈমুর। বলা চলে বলিউডের জনপ্রিয় সেলিব্রিটি কিড দের মধ্যে তৈমুর অন্যতম।

জানা গেছে করিনার এই মাস্কটি দাম ২৬ হাজার টাকা। এটি তৈরি করেছেন লুইস উইটন। আর এত দামী মাস্ক পড়ে করিনার করোনা সতর্কতা জ্ঞান অনেকেই পছন্দ করছেন না।

মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ ক্রমে বেড়েই চলছে। আক্রান্ত হচ্ছে একে একে বলিউড তারকারা। অক্ষয় কুমার, আমির খান, আলিয়া ভাট, ভিকি কৌশল, ভূমি পেডনেকার আর ও অনেকে করোনা পজিটিভ। এই তালিকা যত দিন যাচ্ছে আরও বাড়ছে। সংক্রমণ আটকাতে গোটা মহারাষ্ট্রে ইতিমধ্যে জারি হয়েছে নাইট কার্ফু। পুনরায় লকডাউন হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বেবোর করোনা সতর্কবিধি হিসাবে মাস্ক পড়তে বলা নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। কিন্তু এত দামী একটি মাস্ক পড়ে এই জ্ঞান নেটিজেনরা ভালো চোখে দেখেননি উল্টে সমালোচনা করেছেন। ছবিটি পোস্ট করার পরেই তাকে নিয়ে শুরু হয়েছিল ট্রল। কারুর কাছে এটি নায়িকার ন্যাকামি আবার কারুর কাছে লাট সাহেবী চাল। তবে বরাবরের মতো এবারেও সমালোচনায় কান দেননি করিনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।