ওয়াশিংটন : বছর শেষ হতে হাতে গোনা আর মাএ কয়েকটা দিন বাকি। তারপরেই আসবে নতুন বছর ২০২১ সাল। কিন্তু বছর ঘুরতে চললেও পৃথিবীর বুক থেকে এখনও বিদায় নেয়নি করোনা। অদৃশ্য এই অতিমারীকে সঙ্গে নিয়ে এখনও চলতে হবে অনেকটা পথ।

কারণ, ভ্যাক্সিন না আসা পর্যন্ত এই মারণ ব্যাধির সংক্রমণের সঙ্গে চালিয়ে যেতে হবে লড়াই। তবে নতুন বছরে নিউ নর্মালে সবকিছু ধীরে,ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলেও এখনও অনেক গুলি দিন মাক্স পড়েই কাটাতে হবে আমাদের। হ্যাঁ করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধির নয়া গাইড লাইনে এমনটাই দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তথা ‘হু’এর।

নয়া এই গাইড লাইনের নির্দেশিকায় ‘হু-য়ের’ তরফে জানানো হয়েছে যে, এখনও কমেনি বিশ্বব্যাপী মহামারীর রেশ। ফলে সংক্রমণ এড়াতে অফিস কাছাড়ি, স্কুল, কলেজ এবং পাব্লিক প্লেসে এখনও মাস্কের ব্যবহার বজায় রাখা আবশ্যিক কাজ। ছোটো-বড় এছাড়াও ১২ বছরের বেশি বয়সী বাচ্চাদেরও রাস্তাঘাটে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় সতর্কতা বিধি মেনে চলা এবং মাক্স পড়া বাধ্যতামূলক।

সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, জনসাধারণের মধ্যে থাকাকালীন অবস্থায় মাস্ক পড়ে থাকা উচিত। এতে সংক্রমণের ভয় অনেকটাই এড়ানো যায়। যদিও এই গবেষণা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কও৷

নয়া গাইড লাইনে হু’য়ের দাবি, ভাক্সিন আবিস্কার এবং প্রত্যেকের কাছে যতদিন না পর্যন্ত এর টিকা পৌঁছচ্ছে ততদিন ছোটো বড় সবার জন্যই মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত। এতে সংক্রমণের ভয় কিছুটা হলেও কম থাকে। এছাড়াও বাইরের ধুলো বালি অন্যান্য জীবাণু একজনের থেকে অপর জনের শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে পারে।

শুধু তাই নয়, মহামারীর এই সময়ে বাইরে থেকে আসা অতিথি বা বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে গল্প আড্ডা দেওয়ার সময় মাক্স পড়ে কথা বলা বাঞ্চনীয়। এছাড়াও যে সমস্ত জায়গায় ১মিটার বা তার বেশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয় সেই সব স্থানেও মাস্ক পড়ে কাজকর্ম করা উচিত বলে জানিয়েছেন ‘হু’ কর্তৃপক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।