স্টাফ রিপোর্টার, রায়গঞ্জ: যেভাবে পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে তাতে তাঁদের অশোক স্তম্ভের চিহ্ন সরিয়ে হাওয়াই চটির ছবি লাগানো টুপি পরা উচিত। মঙ্গলবার করণদিঘির সভা থেকে এবার পুলিশকে বেনজির আক্রমণ করলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

জানা গিয়েছে, হেমবতাবাদের বিধায়কের মৃত্যু ও চোপড়ার কিশোরী খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে মঙ্গলবার বিজেপির তরফে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নেওয়ার পর একটি সভায় যোগ দেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সেখানে তিনি আক্রমণাত্মক সুরে বলেন, “অশোক স্তম্ভের ছবি লাগানো টুপি পরার যোগ্যতা পুলিশের নেই। ওদের উচিত হাওয়াই চটির ছবি লাগানো টুপি পরা।” বিজেপির সাংসদের এই মন্তব্যে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

প্রসঙ্গত, হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়কে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে আস্থা নেই বিজেপি নেতৃত্ব ও নিহতের পরিবারের লোকেদেরও।স্বামীকে খুনের অভিযোগ তুলেছেন নিহত বিধায়কের স্ত্রী চাঁদিমা রায়। সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করেছিলেন তিনি। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর মামলাটি এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।

এদিকে, গত মাসে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ এক কিশোরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুতে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল উত্তর দিনাজপুরেরই চোপড়া। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ তুলেছেন মৃতার পরিবারের লোকেরা। সেই ঘটনায় আবার মৃত কিশোরীর পরিবারের লোককেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই দুটি ঘটনারই সিবিআই তদন্তের দাবিতে পথে নেমেছে বিজেপি। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে বিক্ষোভে সমাবেশ করেন গেরুয়াশিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

সভা থেকে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সাংসদ বলেন, “ক্ষমতায় এলে এদের সবাইকে দেখে নেব।” একজন সাংসদের এহেন আচরণ তীব্র নিন্দা করেছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। উল্লেখ্য, অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভুমিপুজোর আগের দিনও এই বিজেপি সাংসদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, এখানে রামের পুজোয় বিজেপি কর্মীদের বাধা দিলে
পুলিশ মার খাবে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।