ভুবনেশ্বর: ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। পুরোদমে আছড়ে পড়তে প্রস্তুত রয়েছে এই শতকের প্রথম সুপার সাইক্লোন আমফান। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় তিন লক্ষ লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আমফান মারাত্মক শক্তি নিয়ে পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হছে। বুধবার আছড়ে পড়ার কথা রয়েছে সুন্দরবনের নিকটবর্তী এলাকায়। আশঙ্কায় বাংলাদেশ ইতিমধ্যে বাসিন্দাদের সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করে দিয়েছে।

জানানো হয়েছে বুধবার পূর্ব উপকূলে সকাল ৯ টা থেকে ১২ টার মধ্যে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে আমফানের। এই মূহূর্তে ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ২৫০ কিমি, দিঘা থেকে ৩৯০ কিমি ও খেপুপাড়া থেকে ৫৪০ কিমি দূরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়।

ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দিঘা সহ একাধিক উপকূলবর্তী অঞ্চলে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে সর্তকতা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও সতর্কতা জারি করা হয়েছে ওডিশায়। প্রতি ঘন্টায় ১৪ কিমি বেগে আমফান এগোচ্ছে দুই রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকার দিকে। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রোধে বুধবার রাতে নবান্নে থেকেই পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ অন্যদিকে কলকাতা পুরসভায় রাতে থাকবেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম৷ যদিও ইতিমধ্যে কন্ট্রোলরুম পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই কন্ট্রোল রুমে রয়েছেন সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

সেখানে বসেই গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তিন জেলায় ঝড়ের গতিবেগ সাধারণত ঘণ্টায় ১৬৫ থেকে ১৭৫ কিমি থাকবে। তবে সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার পর্যন্তও হতে পারে দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। উপকূলবর্তী এলাকায় ৩ থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।