নয়াদিল্লি: মারণ ভাইরাস করোনার রাশ টানতে টিকাকরণের উপর জোর দিলেও টিকার আকাল গোটা দেশে। তৃতীয় দফার টিকাকরণ প্রক্রিয়া ১ লা মে থেকে শুরু করার কথা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র সরকার। তবে টিকার ঘাটতি থাকায় অনেক রাজ্যে শুরু হয়নি টিকাকরণ। এমতবস্থায়, এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট ইউনিয়ন, ইন্ডিয়ান কমার্শিয়াল পাইলটস অ্যাসোসিয়েশন (Indian Commercial Pilots Association) বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষকে জনিয়েছে, ১৮ বছরের ঊর্ধে সমস্ত ক্রুদের “অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে” টিকা দিতে হবে। হুঁশিয়ারি দিয়েছে কেন্দ্র সরকার যদি এই দাবি না মানে তবে তারা ধর্মঘটের পথে হাটবে।

ICPA চিঠি দিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার পরিচালককে জানিয়েছে, যদি এয়ার ইন্ডিয়া ১৮ বছরের বেশি বয়সী ক্রুদের জন্য প্যান ইন্ডিয়া ভিত্তিতে টিকাকরণের ক্যাম্প তৈরী করতে ব্যর্থ হয়, তবে আমরা কাজ বন্ধ করবো। গত বছরের অতিমারীর সময় থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটগুলি সরকারের ‘বন্দে ভারত’ মিশনের অধীনে চলছে। প্রতিনিয়ত ওভার টাইম করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অনেক ক্রু করোনা আক্রান্ত হয়েছে। যা রীতিমতন উদ্বেগে ফেলেছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষকে।

গত সপ্তাহে, এয়ার ইন্ডিয়া অমৃতসর-রোমের একটি ফ্লাইটে ২৪২ জন যাত্রী নিয়ে দেশে ফেরে। তার মধ্যে ৩০ জনের কোভিড পজিটিভ এসেছে। ওই ফ্লাইটে থাকা সদস্য যাদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ বাণিজ্যিক বিমানে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে।

প্রসঙ্গত, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন নেই বলে ঘোষণা করেছে শিল্পনগরী মুম্বই। টিকা নেই একাধিক রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে।১৮ বছরের ঊর্ধ্বদের ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়ছে দিল্লি।অপরদিকে সিরাম করতে জনিয়েছেন জুলাইয়ের আগে চাহিদা অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন। গত সপ্তাহে যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল সংক্রমণ, গত কয়েকদিনের সংখ্যা তার চেয়ে কিছুটা কম। তবে সোমবারের তুলনায় একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা অল্প বেড়েছে। সোমবার যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪১৭ জন, সেখানে মঙ্গলবার ৩ হাজার ৪৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.