পানাজি: মোহনবাগানকে আইলিগ দিয়েছেন গত মরশুমে। তাঁর কোচিং দর্শনে মুগ্ধ কেরালা ব্লাস্টার্স টিম ম্যানেজমেন্ট সুযোগটা নিতে দেরি করেনি। এটিকে-মোহনবাগানের সংযুক্তিকরণের পর কিবুর সেখানে জায়গা নেই জেনে পোল্যান্ডজাত স্প্যানিশ কোচকে লুফে নিয়েছিল ইয়েলো ব্রিগেড। স্বাভাবিকভাবেই গত তিনটি মরশুমে প্লে-অফ নিশ্চিত করতে না পারা কেরালা ফ্র্যাঞ্চাইজির নয়া কোচের উপর অগাধ আস্থা। কিন্তু ২০২০-২১ আইএসএলের অভিযান শুরুর ম্যাচে এটিকে-মোহনবাগানের কাছে মুখ থুবড়ে পড়তে হল কিবুর কেরালা ব্লাস্টার্সকে।

জন্মদিনে ম্যাচ হারলেও ছেলেদের খেলায় হতাশ নন বরং আশ্বস্ত হয়েছেন আইলিগ জয়ী কোচ। ম্যাচ শেষে এদিন কিবু ভিকুনা জানালেন, ‘আমরা যতটা সম্ভব ম্যাচটার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করেছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা খুব স্বচ্ছ ছিল। আমি দলের খেলায় খুশিই হয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য যেভাবে গোলটা হজম করতে হল। আমাদের কাছেও বেশ কিছু সুযোগ এসেছিল কিন্তু আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। আপাতত আগামী ম্যাচে ফোকাস করছি।’

হারের কারণ হিসেবে কিবু আরও বলেন, ‘আমাদের ফাইনাল থার্ড আরও বেশি করে ব্যবহার করা উচিৎ ছিল। রক্ষণ এবং মাঝমাঠে আমরা অনেক সংগঠিত ছিলাম কিন্তু ফাইনাল থার্ডে আমরা খুব একটা যেতে পারিনি। সামনের ম্যাচগুলোতে আমাদের এই দিকটা নজরে রাখতে হবে।’ একইসঙ্গে প্রথম ম্যাচে বহু চর্চিত নাম নিশু কুমারকে বাইরে রেখে দল সাজিয়ে অনুরাগীদের চমকে দিয়েছেন মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচ। কিন্তু নিশুর মত রাইট-ব্যাককে বাইরে রেখে প্রশান্তকে নিয়ে দল সাজানোর কারণ কী?

উত্তরে কিবু বলেন, ‘আমরা তো ১১ জনকে নিয়েই শুরু করেছিলাম। প্রশান্ত আজ যথেষ্ট ভালো ফুটবল খেলেছে। নিশু আমাদের দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার কিন্তু প্রি-সিজনে ওর কিছু সমস্যা ছিল। আর সে কারণেই আমরা ওর পুরোপুরি ফিট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’

উল্লেখ্য, প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে কেরালা রক্ষণের মুহূর্তের অসচেতনায় এদিন গোল করে যান এটিকে-মোহনবাগানের তারকা স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণা। তবে কেরালা ব্লাস্টার্স রক্ষণে নজর কাড়লেন কোস্তা-বাকারি কোনে জুটি। তুলনায় আপফ্রন্টে অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন সেল্টিক, নরউইচ সিটির প্রাক্তনী গ্যারি হুপার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।