লন্ডন: বিশ্বজয়ের প্রথম বার্ষিকিতে স্মৃতিচারণায় ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা৷ এক বছর আগে আজকের দিনেই রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এটাই ইংল্যান্ডের প্রথম ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জয়৷

শুধু ইংল্যান্ডের জন্য নয়, এই বিশ্বকাপ ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে আরও এক কারণে৷ ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ টাই হয়েছিল৷ বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার৷ ফলে ফাইনাল গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও দু’ দলের রান সমান হয়৷ কিন্তু অদ্ভুত এক নিয়মে বেশি বাউন্ডারি মারার জন্য ইংল্যান্ডকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়৷

বিশ্বকাপ জেতার বর্ষপূর্তিতে ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান জানান, জেতার ব্যাপারে প্রথম থেকে তিনি আশাবাদী থাকলেও, এক মুহূর্তের জন্য তাঁর মনে হয়েছিল, আর হয়তো হল না। বিশ্ব জয়ের স্মৃতিচারণ করে মর্গ্যান বলেন, তিনি অনুভব করেছিলেন যে লর্ডসের অনুষ্ঠানে সন্ধ্যায় তাঁর দল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে “মারা গিয়েছিল এবং তাকে সমাহিত করা হয়েছে”।

কিন্তু কেন এমন মনে হয়েছিল ইংল্যান্ড অধিনায়কের? ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেন, ‘আমি প্রথম থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। কিন্তু এক মুহূর্তে মনে হয়েছিল হয়তো ম্যাচটা আমরা হেরে যাব। তখন জিমি নিশাম বল করছিল বেন’কে (স্টোকস)। নিশামের স্লোয়ার ডেল‌িভারি লং অনে তুলে মারে স্টোকস। বল অনেকক্ষণ হাওয়ায় ছিল। বল যত দূরে পাঠাতে চেয়েছিল স্টোকস, ততটা দূরে পৌঁছয়নি। তখনই আমার মনে হয়েছিল সব শেষ হয়ে গেল। বেন আউট, আমাদের তখনও ১৫ রান দরকার ছিল৷ সেই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল, আমরা মারা গিয়েছি এবং আমাদের সমাধিস্থ করা হয়েছে৷’

৪৯তম ওভারের চতুর্থ বলে স্টোকসের শট ট্রেন্ট বোল্ট ক্যাচ করলেও শরীরের ভারসাম্য রাখতে না-পারায় বাউন্ডারি লাইনে পা-দিয়ে ফেলেন। ফলে আউট হননি স্টোকস। আম্পায়াররা ছ’রান দেন। সুপার ওভারে ম্যাচ নিয়ে যান এই ইংল্যান্ড অল-রাউন্ডার। কিন্তু সুপার ওভারও টাই হওয়ায় বেশি বাউন্ডারি মারার নিয়মে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব