চেন্নাই : পুলওয়ামা হামলার শহিদদের কোনও প্রকৃত ভারতীয় ভুলবেন না। তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি শ্রদ্ধায় নত হয় গোটা দেশ। জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামায় দুই বছর আগে হওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কথা স্মরণ করে এই ভাষাতেই শহিদদের শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন তিনি বলেন দেশ ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্বে গর্বিত। পুলওয়ামায় যা হয়েছিল, তারপরে কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় দেশ। পুলওয়ামার শহিদদের বীরত্ব অমর হয়ে থাকবে। দেশের প্রতিটি প্রজন্ম মনে রাখবে তাঁদের। চেন্নাইয়ে দাঁড়িয়ে পুলওয়ামার শহিদদের স্মরণ করেন মোদী।

২০১৯ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফের কনভয়ে হামলা চালানো হয়। একটি আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী গাড়ি সিআরপিএফের কনভয়ে ধাক্কা মারে। এই হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ৪০ জন জওয়ানের। এই ঘটনায় চার্জশিট পেশ করে জাতীয় তদন্তকারি সংস্থা এনআইএ। পাক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের নেতা মাসুদ আজহার এবং তাঁর ভাই রউফ আসগারের নাম ওঠে মূলচক্রীর তালিকায়।

কিভাবে ছক কষা হয়েছিল ও সেই কাজ করা হল সেই পর্দাফাঁস হয়। পুলওয়ামা হামলায় ব্যবহৃত হওয়া আরডিএক্স পাকিস্তান থেকেই এসেছিল সেই প্রমাণ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পেশ করে। সেই সঙ্গে পাক জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের প্রমাণও পেশ করে এনআইএ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, মোবাইলে রেকর্ড করা ভিডিও, কললিস্ট-সহ বহু প্রমাণ এনআইয়ের কাছে ছিল।

রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে সেনায় যোগ দিচ্ছে আরও ১১৮টি অর্জুন ট্যাংক। রবিবার প্রধানমন্ত্রী মোদী যোগ দেবেন তামিলনাড়ু ও কেরলের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে। প্রতিটি অনুষ্ঠানেই বেশ কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানেই সেনার হাতে ১১৮টি ট্যাংক তুলে দেবেন মোদী।

শনিবার সকালে এক ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানায়, রবিবার মোদীর যে কর্মসূচি রয়েছে, সেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেনাকে ১১৮টি অর্জুন ট্যাংক উপহার দেওয়া। এছাড়াও চেন্নাইতে মেট্রো রেল প্রকল্পের ফেজ-১ বিভাগের উদ্বোধন করবেন মোদী। ৯.০৫ কিমি লম্বা এই মেট্রো প্রকল্প উত্তর চেন্নাইয়ের সঙ্গে বিমানবন্দর ও সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশন জুড়ছে। কাজ শেষ করার জন্য এই প্রকল্পের ব্যয় বরাদ্দ ৩৭৭০ কোটি টাকা। এছাড়াও চেন্নাই সমুদ্র সৈকত ও আত্তিপাত্তুর মধ্যে চতুর্থ রেললাইনের উদ্বোধন করবেন মোদী। ২২ কিমি লম্বা এই রেল প্রকল্প শেষ করতে খরচ পড়ছে ২৯৩.৪০ কোটি টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.