নয়াদিল্লি: সংসদের বাজেট পেশ হওয়ার আগে ট্যুইটারে ফের বিমুদ্রাকরণ নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের৷ তাঁর কটাক্ষ যদি ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বিমুদ্রাকরণের জন্য সবচেয়ে বেশি জিডিপি হয়, তাহলে এরকম হার বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর একবার করে বিমুদ্রকরণ হওয়া উচিত৷

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর ব্যঙ্গ এবার যেন মোদী সরকার ১০০ টাকার নোটকে বাতিল বলে ঘোষণা করেন৷ ট্যুইটারে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করে চিদাম্বরম বলেন সিএসও বা কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অফিসের পেশ করা রিপোর্টে কি করে ম্যাজিকের মত নোটবাতিলের বছরে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এক শতাংশের মত বেড়ে গেল? আগে এনএসও বলেছিল নোট বাতিলের বছর, অর্থাৎ ২০১৬-১৭ সালে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৭.১%। অথচ ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেই হিসেব সংশোধন করে সামনে এল নয়া তথ্য৷ সিএসওর নতুন রিপোর্টে দেখা গিয়েছে বিমুদ্রাকরণের বছরে বৃদ্ধির হার বেড়ে হয়েছে ৮.২%।

২০১৯ অন্তর্বর্তী বাজেটের আগে কংগ্রেসের তরফ থেকে মুহুর্মুহু আক্রমণে যথেষ্ট চাপে বিজেপি সরকার৷ রাজকোষ ঘাটতি মিটিয়ে কীভাবে ভোটের আগে জনমোহিনী বাজেট পেশ করবে কেন্দ্র, সেই প্রশ্নই এদিন তুলে দিল চিদাম্বরমের ট্যুইট৷ এদিকে, একের পর এক রিপোর্টে আর্থিক বৃদ্ধি বা বেকারির হার বৃদ্ধি নিয়ে যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে, তাতে স্বস্তিতে নেই বিজেপি সরকার৷

নোটবন্দির বছরেই বৃদ্ধির হার বেড়েছে বলে রিপোর্ট দাবি করলেও, সামনে এসেছে আরও এক তথ্য৷ জানা গিয়েছে তার পরের বছরেই বেকারির হার গত ৪৫ বছরে সর্বোচ্চ৷ এমনই দাবি করেছে এনএসএসও-র রিপোর্ট৷ এমনকী এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে না আনার চেষ্টাও করা হয়েছিল মোদী সরকারের পক্ষ থেকে বলে অভিযোগ উঠেছে৷