Mamata Banerjee
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ফাইল ছবি)।

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসছেন তিনিই৷ বৃহস্পতিবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিযাম থেকে পুলিশ মহলকে সেই বার্তাই দিলেন পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন সমস্ত পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা চিন্তা করবেন না৷ আমরা ছিলাম, আছি, থাকব৷

লোকসভা নির্বাচনের রেজাল্ট বেরোনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে গেরুয়া ঝড় বইছে৷ বিজেপি নেতারাও বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখছেন৷ সরকার গঠনের আত্মবিশ্বাস থেকেই মমতার সরকারের পুলিশকে তারা দিন-রাত ‘দেখে নেওয়ার’ হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন৷ এই পরিস্থিতিতে পুলিশদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর এই দৃঢ় বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

এদিন কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ‘জাগ্রত বাংলা’ নামে নয়া প্রকল্পের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশদের উৎসাহ দেওযার জন্য বিমা, ছুটি-সহ একগুচ্ছ ঘোষণা করলেন তিনি। মমতা বলেন, ‘‘দক্ষতার বিচারে কলকাতার পুলিশ, বাংলার পুলিশ সেরা। কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৭৫ জন পুলিশকর্মীর ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের আর্থিক সাহায্য ও চাকরি দিয়েছে রাজ্য সরকার।’’ কোভিডের সময় রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের ভূমিকা ও রক্তদানের একাধিক অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়েও সাধুবাদ দেন মমতা।এদিনের অনুষ্ঠানে ৫২০ জন মাওবাদী ও ৬৮০ জন কেএলও জঙ্গির হাতে পুলিশে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে জানান, পুলিশে আরও নিয়োগ হবে। আগামী ৩ বছরে ২৪,০০০ কন্সটেবল নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বলেন, ‘আমরা ছিলাম, আছি, থাকবো। ভয় পাওয়ার কারণ নেই।’

‘লিভ কম্পেনসেশন পে’ আগে ছিল ৩০ দিন। সেটা ৫২ দিন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেন, এই ছুটি বাড়িয়ে ৬০ দিন করে দেওয়া হবে। পুলিশকর্মীরা ছুটির মধ্যেও কাজ করেন। তাঁরা যাতে কাজে উৎসাহ পান, সেই কারণেই এই পদক্ষেপ করার কথা বলেন তিনি।পুলিশকর্মীদের আত্মহত্যা রুখতেও এদিন বার্তা দেন তিনি। বলেন, মন খারাপ হলে রাস্তায় ঘুরে আসুন। গান শুনুন বা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান। মুহূর্তে মন ভাল হয়ে যাবে। মনে করান, রাজ্য পুলিশে একাধিক সংস্কার করেছে তাঁর সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।