নয়াদিল্লি: দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে সরকার, এমনই দাবি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ৩০ জুনের মধ্যে দিল্লিতে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ১ লক্ষে পৌঁছে যাবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল, যাঁদের মধ্যে ৬০ হাজার অ্যাক্টিভ কেস থাকবে বলেও মনে করা হচ্ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত দিল্লিতে করোনা অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে মাত্র ২৬ হাজার।

গোটা দেশেই করোনার সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকও। তবে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতে, দিল্লিতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

কেজরিওয়াল বলেন, ‘ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল যে ৩০ জুনের মধ্যে দিল্লিতে ১ লক্ষ করোনা কেস হবে। যার মধ্যে ৬০ হাজার থাকবে অ্যাক্টিভ কেস। তবে আজ পর্যন্ত মাত্র ২৬ হাজার করোনা অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে দিল্লিতে। এটি প্রত্যেকের কঠোর পরিশ্রমের ফলাফল। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি।’

দিল্লি প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকের মিলিত চেষ্টার ফলেই রাজধানীতে নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে লাগাম পরানো গিয়েছে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। যদিও সংক্রমণ থেমে নেই দিল্লিতে।

বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দিল্লিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৭ হাজার ৩৬০। রাজধানীতে এখনও পর্যন্ত করোনায় ২ হাজার ৭৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৫৮ হাজার ৩৪৮ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। দিল্লিতে করোনা অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ২৬ হাজার ২৭০টি।

দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৬৫৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ৫০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি গোটা দেশে ক্রমেই আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৯৩। দেশে করোনায় মৃত বেড়ে ১৭ হাজার ৪০০।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.