লন্ডন: প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বড়সড় হোঁচট। কিউয়ি বোলারদের সামনে ব্যাটসম্যানদের করুণ আত্মসমর্পণে দলের থিঙ্ক-ট্যাঙ্কের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে রাজি নন ভারতীয় দলের অল-রাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা।

কেনিংটন ওভালে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স মূল টুর্নামেন্টে কোনওরকম প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করেন শনিবার দলের হয়ে ব্যাট হাতে একমাত্র উজ্জ্বল রবীন্দ্র জাদেজা। ৫০ বলে জাদেজার ৫৪ রানের ইনিংস এদিন সাজানো ছিল ৬টি চার ও ২টি ছয়ে।

টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং হারাকিরির মাঝে অর্ধশতরান করে দলের মানরক্ষা করার পর ম্যাচ শেষে জাদেজা জানান, ‘প্রথমদিকে উইকেট ব্যাটসম্যানদের জন্য সহায়ক ছিল না। খেলা যত গড়িয়েছে পিচের চরিত্র তত বদলেছে। আশা রাখছি বিশ্বকাপের মূলপর্বে পিচে ঘাসের এত আধিক্য থাকবে না।’ কিউয়ি বোলারদের দাপুটে বোলিংয়ের সামনে এদিন ৩৯.২ ওভারে মাত্র ১৭৯ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের সাধের ব্যাটিং লাইন -আপ। ৭৭ বল বাকি থাকতে অতি সহজেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

আরও পড়ুন: World Cup 2019: বোধনে নিউজিল্যান্ডের কাছে হার ভারতের

কিন্তু উদ্বিগ্ন হতে রাজি নন জাদেজা। তাঁর কথায়, একটা ম্যাচের ফলাফল দিয়ে আমাদের ব্যাটিং ইউনিটের শক্তি বিচার করা ভুল হবে। একইসঙ্গে কোহলির দলের অল-রাউন্ডারের সংযোজন, ‘ভারতের ফ্ল্যাট পিচে খেলে এসে ইংল্যান্ডের আবহাওয়ার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া খুব একটা সহজ কাজ নয়। আমাদের একটু সময় দিতে হবে। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমাদের আরও পরিশ্রম করতে হবে। দলের প্রত্যেকেই যথেষ্ট অভিজ্ঞ। সুতরাং, চিন্তার কোনও কারণ দেখছি না।’

আরও পড়ুন: World Cup 2019: ইংল্যান্ড ‘বধ’ করে বিশ্বকাপ ওয়ার্ম আপ অস্ট্রেলিয়ার

এরপর নিজের অর্ধশতরানের ইনিংস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জাদেজা জানান, ‘২০ ওভার পেরনোর আগে ক্রিজে নামায় মনস্থির করেছিলাম ইনিংসের শেষ অবধি আমায় ক্রিজে থাকতে হবে। নিজেকে বারবার বলছিলাম ভুল শট না খেলতে। জানতাম শুরুর দিকের ওভারগুলো কাটিয়ে দিতে পারলে পরের দিকে খেলা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।’

একইসঙ্গে সিমিং কন্ডিশনে দলের প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে জাড্ডু বলেন, ‘আমরা কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চেয়েছিলাম, যাতে মূলপর্বের ম্যাচগুলো ব্যাটসম্যানদের কাছে অনেক বেশি সহজ হয়। পুরো বিষয়টি আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেম। সন্দেহ নেই যে পরবর্তীতে  আমরা ভালো ফল করব।’