নয়াদিল্লি : আরও একবার চিনকে সতর্ক করে কড়া বার্তা দিলেন বায়ুসেনা প্রধান আর কে এস বাদোরিয়া। শনিবার তিনি বলেন, চিন যেন কোনও ভুল না করে। ভারতও আক্রমণ করতে জানে। যদি সীমান্তে চিন আগ্রাসী মনোভাব দেখায়, তবে ভারতও তার যথাযোগ্য উত্তর দিতে জানে। তাই চিন যেন সতর্ক থাকে।

শনিবার চিনের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হয় বায়ুসেনা প্রধান বাদোরিয়াকে। তিনি তার উত্তরে বলেন ভারতের সঙ্গে যদি জটিল পরিস্থিতিতে জড়াতে চায় চিন, তবে যেন মর্মান্তিক পরিণতির জন্য তৈরি থাকে। ভারতের আক্রমণ চিনের জন্য ভালো হবে না।

বায়ুসেনা প্রধান বলেন য়ার স্ট্রাইকের জন্য পুরোপুরি তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনা। চিনের তরফ থেকে কোনও বেচাল দেখলেই এয়ার স্ট্রাইক চলবে। তবে এখনও পর্যন্ত চিনের তরফ থেকে কোনও আগ্রাসী পদক্ষেপ দেখা যায়নি। কড়া নজরদারি চলছে সীমান্ত বরাবর। তিনি বলেন ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারস্ট্রাইকের যে ক্ষমতা রয়েছে, তা তুলনাহীন।

বায়ুসেনায় যুক্ত হয়েছে রাফায়েল। তা নিঃসন্দেহে প্রতিপক্ষের রক্তচাপ বাড়িয়েছে। রাফায়েলের সাহায্যে এয়ারস্ট্রাইক আরও নিখুঁত ও গতিশীল হয়েছে বলে এদিন জানিয়েছেন বায়ুসেনা প্রধান। তিনি বলেন আগামী পাঁচ বছরে বায়ুসেনায় যুক্ত হবে ৮৩টি এলসিএ তেজস মার্ক ১এ, এইচটিটি-৪০ ট্রেনার এয়ারক্রাফট। এরই সঙ্গে থাকবে লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার।

এদিন বাদোরিয়া জানান, ভারত চিন সীমান্ত সংঘাতের সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যেখানে এয়ারস্ট্রাইক চালাবে বায়ুসেনা। তবে বায়ুসেনা তৈরি যে কোনও সময় এয়ার স্টাইকের জন্য। তিনি বলেন সীমান্তে চিনের আগ্রাসী মনোভাব ও দখলদারির স্বভাব ভারত সুনিপুণ দক্ষতায় রুখে দিয়েছে। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনার কড়া নজরদারিতে এগোতে সাহস পায়নি চিন।

এদিকে, জানা গিয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বহরে শীঘ্রই যুক্ত হতে চলেছে আরও ৮৩ টি তেজস বিমান। সিসিএস এই তেজস যুদ্ধবিমানের জন্য ৪৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যেই এই তেজস বিমানের জোগান দেওয়া শুরু হবে। বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনায় রয়েছে ৩০টি ফাইটার স্কোয়াড্রন। এরসঙ্গেই যুক্ত হতে চলেছে এই তেজসগুলি। মিগ-২১ বিমানগুলির জায়গা নেবে তেজস।

চিন ও পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজক পরিস্থিতিতে ভারত সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা খাতে নিজের শক্তি বাড়াতে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। ক্যালিবার বন্দুক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত একটি চুক্তি হতে চলেছে। এই চুক্তি হতে পারে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।