লখনউ: ‘বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছি, হিন্দুত্বের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট’, এমনই মন্তব্য মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের। একইসঙ্গে অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরিতে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে এক কোটি টাকা দেওয়ারও ঘোষণা করেন উদ্ধব ঠাকরে।

শনিবার অযোধ্যায় যান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। পূর্ব ঘোষণা মতো এদিন অযোধ্যায় যান শিবসেনা প্রধান। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম অযোধ্যা সফর। অযোধ্যায় উপস্থিত হয়ে ফের শিবসেনার দলীয় লাইন স্মরণ করিয়ে দেন উদ্ধব।

শিবসেনা প্রধান তথা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেও হিন্দুত্বর সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রয়েছে। শনিবার অযোধ্যায় সাধু-সন্যাসীদের সঙ্গে আরতি করার কথা ছিল মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর। তবে করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে এদিন সেই কর্মসূচি বাতিল করে দেওয়া হয়।

শীঘ্রই রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে এদিন আশাপ্রকাশ করেন উদ্ধব ঠাকরে। পরে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে অযোধ্যায় এসেছিলাম। অযোধ্যার জমি নিয়ে তখন মামলা চলছিল। অযোধ্যা মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আমার জন্য সুখবর বয়ে আনে। ওই রায়ের পর আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে পেরেছি।’

সবাই মিলে রাম মন্দির তৈরি করা হবে বলে এদিন জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এ ব্যাপারে তিনি উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবাই সকলে মিলেই রামমন্দির নির্মাণ করব।

রাম মন্দিরের পাশে একটি জাqগা দিতে অনুরোধ জানিয়েছি যোগী আদিত্যনাথকে। সেখানে রামভক্তদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির জন্য মহারাষ্ট্র সরকার এক কোটি টাকা দেবে।’

গত বছরের নভেম্বরে অযোধ্যার জমি নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিতর্কিত জমির মালিকানা রামলালাকে দিয়েছে আদালত। কেন্দ্রকে মন্দির তৈরির জন্য ট্রাস্ট গঠনেরও নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। একইসঙ্গে মসজিদ তৈরির জন্য ৫ একর জমির ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেওয়া হয় উত্তরপ্রদেশ সরকারকে। ইতিমধ্যেই অযোধ্যার ধানিপুর গ্রামে সেই জমির বন্দোবস্ত করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প