শিবপ্রিয় দাশগুপ্ত : বাম-কংগ্রেস-ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট আজ বিকেলে নির্বাচনী আসন রফা নিয়ে চূড়ান্ত বৈঠকে বসছে। সিপিএম (CPM)পার্টি অফিস আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে এই বৈঠক হবে। কংগ্রেস (Congress), সিপিএম ও আব্বাসের (Abbas Siddiqui) তরফে জানানো হয়েছে জোটের জন্য আসন নিয়ে যাবতীয় জটিলতা কেটে গেছে। আজ বিকেলে শুধুমাত্র সিদ্ধান্তকে মান্যতা দেওয়ার জন্য বৈঠক হচ্ছে। আর এই বৈঠকের পরই জানা যাবে আব্বাস সিদ্দিকীকে কংগ্রেস কটা আসন শেষ পর্যন্ত ছাড়লো। আজ কংগ্রেসের প্রথমে সিপিএম-এর সঙ্গে তার পর আব্বাসের সঙ্গে বৈঠক হবে। আব্বাস কংগ্রেসকে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ করার জন্য চিঠি দিয়েছেন।

কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য (Pradip Bhattacharya) জানিয়েছেন, “আমাদের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে আব্বাসের সঙ্গে আজ আলোচনা হবে। তার আগে সিপিএ-এর সঙ্গে আমাদের বৈঠক হবে। আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি। আজই সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।”

তবে সিপিএম এর সঙ্গে সিদ্দিকীর আসন সমঝোতা হয়ে গেছে। সিপিএম আব্বাসের জন্য ৩০টি আসন ছেড়ে রেখেছে। তার মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙ্গর কেন্দ্র দু’টি আব্বাসের ইচ্ছেতে সিপিএম তাকে ছেড়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। আব্বাসের দাবি মোট ৪০ থেকে ৪২টি আসন। সিপিএমের ২ :১ অনুপাতে সিপিএম আব্বাসকে ৩০টি আসন ছেড়েছে। তাই কংগ্রেসর ১০ টি বা ১২টি আসন আব্বাসকে কংগ্রেসের ছাড়ার কথা।

এদিকে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট নেতা আব্বাস সিদ্দিকী ইতিমধ্যেই সিপিএম-এর প্রশংসা করে আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার ব্রিগেডে উপস্থিত থাকছেন। পাশাপাশি তিনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের ব্রিগেড (Brigade) সমাবেশে উপস্থিত হওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।

২০২১-একে বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনের একটা মিল আছে। ২০১১ তে রাজ্যে থেকে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট (Left Front) সরকারকে পরাজিত করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস সহ সবকটি রাজনৈতিক দল এক হয়ে ছিল। এবার ঠিক একই ভাবে তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য এবং বিজেপির শক্তি কমানোর জন্য বাম, কংগ্রেস ও সমস্ত গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ দল একযোগে তৃণমূল ও বিজেপি-র বিরুদ্ধে নির্বাচিনী লড়াইয়ে নেমেছে। এই নির্বাচনে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটের ওপর অন্যবারের মতো ১০০% দখলদারি থাকছে না। কারণ সংখ্যালঘুদের নিয়ে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট দল গঠন করে বাম, কংগ্রেস জোটের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন আব্বাস সিদ্দিকী। তাই এবার সংখ্যালঘু ভোটের সমর্থনকে সম্বল করে বাম, কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট সহ সমস্ত বাম, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ (Secular) দল আশা করছে তাদের ফল উল্লেখযোগ্য ভাবে ভালো হবে। বাম এবং কংগ্রেস আলাদা ভাবেও এই ভাবনায় রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।