হায়দরাবাদ: সংখ্যালঘুদের উপর নিত্য নতুন উপায়ে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আসাদুদ্দিন ওয়াইসি৷ ক্ষোভের সঙ্গে হায়দরাবাদের সাংসদ জানান, মুসলিমরা গরু বাছুর নন৷ তারাও মানুষ৷

তিহার জেলে এক সংখ্যালঘু বন্দির গায়ে ওম চিহ্ন খোদাই করে দেওয়ার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে৷ সেই নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন আসাদুদ্দিন ওয়াইসি৷ ট্যুইটে তিনি লেখেন, প্রতিদিন নতুন নতুন উপায়ে সংখ্যালঘুদের হেনস্থা ও অপমানিত করা হচ্ছে৷ এই রকম আচরণ নির্মম এবং অমানুষিক৷ মুসলিমরা গরু বাছুর নয়৷ তারাও মানুষ৷ (এখন এটা যেন না বলা হয় নাবিরের গায়ে ওই বিশেষ চিহ্ন খোদাই করার পিছনে অন্য কারণ আছে)৷

তিহার জেলের এক বন্দি নাবির জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর উপর অকথ্য অত্যাচারের অভিযোগ আনেন৷ জানান, তাঁকে মারধোরের পর উপোষ করিয়ে রাখা হয়েছিল৷ তারপর পিঠে ওম চিহ্ন লিখে দেওয়া হয়৷ ১৯ এপ্রিল দিল্লি কোর্টে জামা খুলে পিঠের ওই চিহ্নটি নাবির দেখান৷ তারপরই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় দিল্লি আদালত৷

এই ঘটনা গোটা দেশে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে৷ মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে নাবিরের পিঠে ওই চিহ্ন জেল সুপারিন্টেন্টেড লিখেছেন৷ যদিও জেল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে একটি তদন্ত কমিটি ঘটন করে৷ নাবিরকে তিহার জেলের ৪ নম্বর সেলে রাখা হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.