কার্ডিফ: বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার আগে ব্যাটিং হুংকার ভারতের৷ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ১৭৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ভারত৷ এদিন ব্যাটিংয়ের ভুল ক্রুটি শুধরে নিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাড়ে তিনশো রানের পাহাড় গড়ল ‘মেন ইন ব্লু’৷ সৌজন্য লোকেশ রাহুল ও মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ চার নম্বরে নেমে শতরান রাহুলের, ছয় নম্বরে নেমে ১১৩ রানের ইনিংস ধোনির৷ জোড়া শতরানে ভর করে শাকিব-মোর্তাজাদের ৩৬০ রানের টার্গেট ছুঁডে় দিল নীল নীল জার্সি ধারীরা৷

টস জিতে এদিন ভারতকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ৷ এরপর শুরুতে ভারতের দুই ওপেনারকে দ্রুত প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে লড়াই জমিয়ে দেয় মাশরাফিরা৷ স্কোরবোর্ডে দলগত ৫ রান উঠতেই ধাওয়ানকে এলবিডব্লিউ আউট করে ভারতকে প্রথম ধাক্কা দেন বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান৷ পরে ১৯ রান করে রুবেলের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন রোহিত শর্মা৷ দুই ওপেনারকে হারিয়ে কোহলির ৪৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ম্যাচে ফেরে ব্লু-ব্রিগেড৷

এদিন যদিও কোহলির অর্ধশতরান আটকে দিলেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার মহম্মদ সইফুদ্দিন৷ পারফেক্ট ইর্য়াকারে কোহলি উইকেট ছিটকে দেন সইফুদ্দিন৷ কোহলি ফিরতে ব্যাটিং গিয়ার পরিবর্তন করে চার-ছয়ের ছন্দ ধরে রেখে বাংলাদেশের উপর চাপ বাড়াতে শুরু করেন লোকেশ রাহুল৷ এদিন চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৯৪ বলে শতরান করলেন কোহলির দলের নির্ভরযোগ্যা ডানহাতি৷ ৯৯ বলে রাহুলের ১০৮ রান সাজানো, ১২টি চার ও ৪টি ছয় দিয়ে৷ সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে ভারতের চার নম্বর স্থানে নিজের জায়গা পাকা করলেন রাহুল৷ বিজয় শংকরের সঙ্গে চার নম্বরে লড়াইয়ে ছিলেন৷ ধোনির সঙ্গে মিডল অর্ডারে এদিন ১৫৩ রানের জমাটি পার্টনারশিপে দলকে আড়াইশো রানের গণ্ডি পার করান তিনি৷

রাহুলের পাশাপাশি এদিন ধোনির ব্যাটেও শতরান৷ কেন কোহলির দলে তিনি অপরিহার্য, ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন ৩৭ বছর বয়সী উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷ ধোনির ৭৮ বলে ১১৩ রানের ইনিংস সাজানো ৮টি চার ও ৭টি ছয় দিয়ে৷ শেষ দিকে দুরন্ত ক্যামিও ইনিংস হার্দিকের৷ মাত্র ১১ বল খেলে ২১ রান তুলে দেন পান্ডিয়া, ৪ বল খেলে ১১ রান হাঁকিয়ে ভারতকে ৩৫৯ রানের চূড়ায় পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা৷