কলকাতা: এবার নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা। তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আনলক ফোর পর্যায়েও সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি এরাজ্যে। গত কয়েকমাসে রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়ক ও রাজনৈতিক নেতা করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এবার সেই তালিকায় নবতম সংযোজন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী।

পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন মন্টুরাম। সঙ্গে সঙ্গে কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে করোনা পরীক্ষা করা হলে, সেই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এর পরই সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা কে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে এখানেই তিনি চিকিৎসাধীন।

মন্টুরামবাবু২০০১ সালে কাকদ্বীপ-নির্বাচনক্ষেত্র থেকে বিধানসভায় প্রথম নির্বাচিত হন। ওই কেন্দ্র থেকে ২০১১ সালে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৩ সালে একেবারে মন্ত্রী হন তিনি। সে সময় দুর্নীতির অভিযোগে শ্যামল মণ্ডলকে সরিয়ে মন্টুরামকে সুন্দরবন উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য-কারিগরি ও পরিবেশমন্ত্রী সৌমেন কুমার মহাপাত্র৷

তার আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ৷ ভর্তি ছিলেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে৷ ৭ দিন পর করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরেছেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ৷ করোনা আক্রান্ত হয়ে ১১ অগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ৷ প্রথমে বাইপাসের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে স্বপনবাবুকে স্থানান্তরিত করা হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে৷ সেখানে ৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর করোনাকে জয় করে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ৷

অন্যদিকে করোনাকে জয় করে ওই একই দিনে বাড়ি ফিরেছেন মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাস৷ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সময় মহেশতলা পৌরসভা এবং হাসপাতালের কর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে সম্বর্ধনা জানান৷ এবং হাততালির মাধ্যমে তাকে উৎসাহিত করেন৷ এর আগে রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু, নির্মল মাজিরা আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়৷ তবে সুস্থ হয়ে তাঁরা সকলেই ফের কাজে নেমেছেন৷

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।