ফাইল ছবি।

কলকাতা: ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী। নেতাজিকে সম্মান জানাতে আগামী বছরজুড়ে নানা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালনে কমিটি গড়েছে রাজ্য। সেই কমিটির চেরাপার্সন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিটিতে রয়েছেন দুই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সুভাষচন্দ্র বসুকে সম্মান জানাতে আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি থেকে বছরভর নানা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। নেতাজির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালনে গড়া কমিটিতে অমর্ত্য সেন, অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন সুগত বসু, শঙ্খ ঘোষ, যোগেন চৌধুরী, জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার-সহ বিশিষ্টরা। একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদেরও রাখা হয়েছে কমিটিতে।

বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালনে কমিটি গড়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য়মন্ত্রী নিজে এই কমিটির চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করবেন৷

এপ্রসঙ্গে এদিন তিনি বলেন, ‘‘আমরাই প্রথম এই উদ্যোগ নিলাম। আশা করি, এরপর বাকি রাজ্য সরকারগুলিও নেতাজিকে সম্মান জানাতে তৎপরতা নেবে। ২০২১-এর ২৩ জানুয়ারি থেকে বর্ষব্যাপী অনুষ্ঠান পালন করা হবে। স্কুল, কলেজ, ক্লাবগুলিকে গাইডলাইন ঠিক করে দেব। ডিসেম্বরে একটা মিটিং করে নেব। এই পরিকল্পনা করেছি।’’

এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘নেতাজির জন্মদিন জানি। মৃত্যুদিন জানি না। নেতাজিকে নিয়ে আসল তথ্য জানাতে পারেনি কেন্দ্র। এখনও সমস্ত তথ্য প্রকাশ করেনি কেন্দ্র।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।