কলকাতা: লকডাউনের রাজ্যে প্রতিবেশী রাজ্যের প্রায় ১৯ হাজার মানুষ বাংলায় আটকেছিলেন। তাঁদের ফেরাতে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ করছে রাজ্য। এরই পাশাপাশি যে শ্রমিকরা হেঁটে রাজ্যের সীমানায় পৌঁছোচ্ছেন তাঁদেরও স্ক্রিনিংয়ের পরে বিশেষ বাসে করে রাজ্য সরকার তাঁদের রাজ্যে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

লকডাউনের জেরে অন্য রাজ্যের মতো এরাজ্যেও প্রতিবশী রাজ্যের বহু মানুষ আটকেছিলেন। ইতিমধ্যেই এমন প্রায় ১৯ হাজার মানুষ তাঁদের রাজ্যে ফিরে গিয়েছেন।

এরই পাশাপাশি গত কয়েকদিন ধরেই বাংলার সীমানা পর্যন্ত হেঁটে চলে আসছেন বহু শ্রমিক। রাজ্যের সীমানায় পৌঁছোলেই ওই শ্রমিকদের স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা হচ্ছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরেই তাঁদের বাসে করে তাঁদের রাজ্যে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার।

লকডাউনের জেরে এই মুহূর্তে বিদেশেও আটকে রয়েছেন এরাজ্যের বহু মানুষ। তাঁদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনতে তৎপর পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিদেশ থেকে এরাজ্যের বাসিন্দারা ফিরে এলে তাঁদের কোয়ারেন্টাইনে রাখার জন্য রাজ্যের তরফে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এব্যাপারে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্যের কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.