কলকাতা: করোনার ওষুধ জোগাড় করতে হবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃক্ষকেই। রোগীর পরিবারের ওপর ওষুধ জোগাড়ের ভার চাপানো যাবে না। এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। ইতিমধ্যেই নয়া এই নির্দেশিকা রাজ্যের সমস্ত কোভিড হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্টদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দেশে অতিমারীর প্রকোপের শুরু থেকেই করোনার ওষুধ জোগাড় করা নিয়ে তীব্র অস্বস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে রোগীর পরিবারকে। ইতিমধ্যেই এব্যাপারে ভুরি-ভুরি অভিযোগ মিলেছে। রোগীর পরিবার অভিযোগ, করোনা চিকিৎসার জন্য রেমডিসিভির এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না।

এমনকী তা মিললেও অত্যন্ত চড়া দামে সেই ওষুধ বিক্রি করছেন একশ্রেণির বিক্রেতারা। করোনার ওষুধ কিনতে গিয়ে ঘোরতর বিপাকে পড়তে হচ্ছে রোগীর পরিবারকে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরেও বিষয়টি নিয়ে বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ে।

বিষয়টি নিয়ে এবার নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ্য দফতর। নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ভর্তি থাকা করোনা রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ জোগাড় করতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই। কোনও ভাবেই রোগীর পরিবারের ঘাড়ে ওষুধ যোগাড় করার বোঝা চাপানো যাবে না।

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩২ হাজার ৮৩৮। রাজ্যে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৯৮০।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ