কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন হাওড়ায় ঢুকতে দিতে চায় না রাজ্য। রেলকে চিঠি দিয়ে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন বাংলায় ঢোকার বিকল্প রুট জানাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের নির্দিষ্ট করে দেওয়া রুটেই যাতে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন ঢোকে সেব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে।

একটানা লকডাউনের জেরে দেশের একাধিক রাজ্যে আটকে পড়েন লক্ষ-লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক। পরিযায়ীদের নিজেদের রাজ্যে ফেরাতে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেলমন্ত্রক।

তবে পরিযায়ীরা তাঁদের নিজেদের রাজ্যে ফিরতেই একের পর এক রাজ্যে করোনার সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলাতেও পরিযায়ীরা ভিনরাজ্য থেকে ফিরতেই করোনার সংক্রমণ একলাফে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

সেই কারণেই রাজ্যের তরফে এবার জোরদার তৎপরতা শুরু হয়েছে। রেলকে দেওয়া এক চিঠিতে রাজ্যের তরফে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্র থেকে আসা ট্রেন খড়গপুর, ডানকুনি, বর্ধমান, রামপুরহাট, মালদহ হয়ে এনজেপি যাবে। উত্তর ভারত থেকে আসা ট্রেনও আসানসোল, দুর্গাপুর, রামপুরহাট হয়ে এনজেপির দিকে যাবে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেন হাওড়ায় ঢুকতে দিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। নবান্নের তরফে দেওয়া চিঠিতে সেকথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিনকয়েক আগেই শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন রাজ্যে ঢোকা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই একের পর এক ট্রেন পাঠাচ্ছে রেল। একসঙ্গে এত লোকের করোনা পরীক্ষা করাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে রাজ্যকে। সেই কারণেই করোনার সংক্রমণ ব্যাবক হরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প