কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকার সতর্কতামূলক সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। দ্রুত সংক্রমিতকে খুঁজে বের করতে রাজ্যে টেস্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। টেস্ট বেড়েছে বলেই আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। অযথা বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ার কোনও কারণ নেই বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘টেস্ট বাড়িয়ে দ্রুত সংক্রমিতকে খুঁজে বের করা ও তাঁর চিকিৎসা করাই লক্ষ্য সরকারের’, বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনই বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

দেশের অন্য একাধিক রাজ্যের পাশাপাশি বাংলাতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন আড়াই হাজারের বেশি মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। বেশি মাত্রায় টেস্ট হচ্ছে বলেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে বলেই মত রাজ্য সরকারের।

বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘করোনা নিয়ে ভয় পাবেন না। টেস্ট বাড়ানোর ফলেই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। দ্রুত সংক্রমিতকে খুঁজে বের করে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই রাজ্য সরকারের লক্ষ্য।’

রাজ্যে এখন প্রতিদিন ২৫ হাজারেরও বেশি করোনা টেস্ট হচ্ছে। ২২ জুলাই থেকে রাজ্যে rapid test শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘অনেক রাজ্যে টেস্ট কমানো হয়েছে। তবে আমরা চাইছি আরও বেশি টেস্ট করতে। টেস্ট বেশি হলে পজিটিভ কেস বাড়বে। পজিটিভ কেস বাড়লে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। ভয় পাবেন না।’

রাজ্যে এই মুহূর্তে সংকটজনক অবস্থায় ১১৪৪ জন করোনা রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। করোনা মোকাবিলায় তৈরি হয়েছে প্লাজমা ব্যাঙ্ক। রাজ্যে করোনা আক্রান্তদের জন্য বেড বেড়ে হয়েছে ১১,৫৬০। কর্ড ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিকেও করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগানো যায় কিনা দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়ছে ঠিক তেমনি রাজ্যে বেড়েছে সুস্থতার হার। রাজ্যে করোনামুক্ত হওয়ার হার এখন ৭০.৪ শতাংশ। রাজ্যে করোনায় মৃত্যুহার ২.২ শতাংশ। তার মধ্যে আবার কোমর্ডিবিটে মৃত ৮৭.৬ শতাংশ। করোনা মোকাবিলায় টেলি মেডিসিন পদ্ধতি অনেক কাজ দিয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা